২১শে সেপ্টেম্বর, ২০১৮ ইং | ৬ই আশ্বিন, ১৪২৫ বঙ্গাব্দ | রাত ১১:৫৯

নোয়াখালীর অশ্বদিয়া ও ধানসিঁড়ি সংযুক্ত অবহেলিত রোড়, যেন একটি মরণ ফাঁদ

 

মোঃ আবদুল্যাহ রানা, নোয়াখালী প্রতিনিধি : সড়ক বিভাগের উন্নয়ন পুরো দেশ জুড়ে অবিরাম ভাবে চললেও নোয়াখালীর সদর উপজেলা ও কবিরহাট উপজেলাধীন অশ্বদিয়া-ধানসিঁড়ি সংযুক্ত তিন ভায়ের দোকানের দক্ষিন পার্শ্বের পাকা রাস্তার মাথা থেকে অলি মাঝির খেওয়া ঘাট পর্যন্ত প্রায় আড়াই কিঃ মিঃ রাস্তার এমন নাজেহাল অবস্থা মনে হয় যেন একটি মরণ ফাঁদ। সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, শিতের মৌসম থেকে এই রাস্তাটিতে মাঁটি কেয়ারিংয়ের গাড়ি চলার কারনে রাস্তাটি তার আগের চেহারাটা হারিয়ে পেলছে।

অবসর প্রাপ্ত আর্মি রহিম উল্যাহ বলেন, স্থানিয় বাবলু চেয়ারম্যান এবং ছাত্রলীগের সাবেক জেলা সভাপতি ইমন ভট্টর মাটির গাড়ি চলে রাস্তার এই বেহাল দশা করেন। তারা তখন আশ্বাস দিয়েছেন কাজ শেষে রাস্তাটিকে মেরামত করে দিবেন, কিন্তু কাজ শেষ হলে তারা আজ পর্যন্ত কোন রকম মাটিতো দূরের কথা এসে দেখেও গেলেন না। এ বিষয় নিয়ে বার বার চেয়ারম্যানকে অবগত করার পরেও এখন পর্যন্ত কোন সমাধান পাননি বলে জানান তিনি।

সৈয়দ মেম্বার নামের এক ব্যক্তি বলেন, এই রাস্তার কারনে কোন রুগি নিয়ে জেলা শহর যেতে পারিনা, গত কয়দিন আগে এলাকার একটি মেয়েকে জুরুরী ভাবে হসপিটাল নিতে গিয়ে আমরা অনেক হিমসিমের মধ্যে পড়তে হয়েছে, সিএনজি না চলতে পারার কারনে কোলে করে পাঁকা রাস্তায় নিয়ে গিয়ে গাড়িতে উঠাতে হয়েছে আর একটু বিলম্ব হলে তাকে আমরা হারাতে হতো।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক স্কুল ছাত্রী বলেন “আই হেদিন স্কুলে যাইতে আর বইগুন লোদে হড়ি নষ্ট অই গেছে” আরেক শিক্ষার্থী বলেন, এখন বর্ষকাল আমরা শান্তি ভাবে স্কুল কলেজে যেতে পারিনা, রাস্তার মধ্যে বড় বড় গর্ত থাকার কারনে হাটতে সমস্যা হয়। এবং তারা আগে মাটি কাটলেও এখন পর্যন্ত আবার অন্য লোকে মাটি কেয়ারিং অব্যাহত রাখছে।

সড়ক বিভাগ ও স্থানীয় এমপি মহদয়ের দৃষ্টি আকর্ষন করে এলাকাবাসি বলেন, অতি দ্রুত এই রাস্তাটাকে সংস্কার বা পাঁকার কাজ করে কমলমতি শিশুদের লেখাপড়া ও অসুস্থ্য রুগিদের উন্নত চিকিৎসা করার মত ব্যবস্থা করে সড়ক বিভাগের উন্নয়ন অব্যাহত রাখার দাবি জানান।

এ বিষয়ে জানার জন্য স্থানীয় চেয়ারম্যানের মুঠো ফোনে কল করলে তিনি রিসিভ করেন নি।

 

 

কিউএনবি/রেশমা/৬ই মে, ২০১৮ ইং/দুপুর ১:৩২