১৫ই নভেম্বর, ২০১৮ ইং | ১লা অগ্রহায়ণ, ১৪২৫ বঙ্গাব্দ | রাত ২:৪২

কৃষ্ণচুড়ার রঙ হারিয়ে দেবীগঞ্জ যেন বর্ণহীন

 

শেখ ফরদি,দবেীগঞ্জ(পঞ্চগড়) প্রতনিধি : কৃষ্ণচুড়ার রঙ হারিয়ে দেবীগঞ্জ শহর যেন হয়ে পড়েছে বর্ণহীন।অথচ বিগত এক দশক ধরে রাস্তার দু-ধারে শত শত কৃষ্ণচুড়ার গাছে ফুলের সমারোহ রঙ ছড়িয়ে শহরকে করে তুলতো বর্ণময়। গ্রীস্মেও প্রচন্ড খরতাপে বিশুদ্ধ অক্যিজেনের পাশাপাশি এসব গাছ দিয়ে আসছিল ক্লান্ত দেহে ছায়া আর মনে প্রশান্তির পরশ।

দেবীগঞ্জের শস্যরাজি,দেবী চৌধুরী রানীর দাপট, ভুপ বাহাদুরের রাজত্ব দেবীগঞ্জের ওইতিহাসিক প্রেক্ষাপটকে ধরে রাখার জন্য যথেষ্ঠ ছিল না।এ শহরের পরিচিতি ছিল দুস্প্রাপ্য ফুলের শহর, করতোয়া নদীর সুস্বাদু বইরালী মাছের ক্ষ্যাতি।জীবনের জটিলতায় শহরে ফুলের বাগান গেছে কমে।

কৃষ্ণচুড়ার পাশাপাশি কাঞ্চন, সোনালু ও কদম ফুল করেছে শহরকে সুশোভিত ও সুরভিত।এ গাছগুলোর প্রকৃতিগতভাবে ছিল বিশেষ বৈশ্যিষ্ঠ। বসন্তে কাঞ্চন, গ্রীষ্মে কৃষ্ণচুড়া- সোনালু আর বর্ষায় কদম এ ছিল ঋতু ভিত্তিক গাছের সর্ম্পক। গ্রীষ্মের তাপদাহে গাছের ছায়া রাস্তার দু-ধারে থাকা ব্যবসায় প্রতিষ্ঠানে স্বস্তি এনে দিয়েছিল।

আর এর ছায়ায় বসেছে চায়ের দোকান, পিয়াজু-বেগুনীর দোকান আর সাইকেল গ্যারেজ। সময়ের নতুন চাহিদার সাথে এ গাছগুলার বিলুপ্ত ঘটেছে। দেবীগঞ্জ এন এন সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয়ের সামনের পাকা রাস্তায় বেচে যাওয়া দুটি গাছ এখনও রঙ ছড়িয়ে যাচ্ছে। এক সময়ের কৃঞ্চচুড়ার রঙ এখন হয়েছে বিবর্ণ।কৃঞ্চচুড়ার গাছ নেই, নেই রঙের বর্ণচ্ছটা।শহরময় কৃষ্ণচুড়ার শূণ্যতা যেন ছন্দময় শহরকে গদ্যময় করে দিয়েছে।

 

 

 

 

 

কিউএনবি/সাজু/৫ই মে, ২০১৮ ইং/বিকাল ৫:২৬