২১শে নভেম্বর, ২০১৮ ইং | ৭ই অগ্রহায়ণ, ১৪২৫ বঙ্গাব্দ | রাত ৮:২৮

এটা প্রেম নাকি প্রতারনা…

সুজন : কল্পনার অাকাশে যেমন নিজেকে ভাসিয়ে স্বপ্ন দেখা ঠিক তেমনি ছিলো আমার সেই দিনটি, ভাবতেই গায়ে কাঁটা দেয়, কখনো ভাবতেই পারিনি এমন একটি দিন আসবে আমার জীবনে,যাক আসল কথাটা বলি এখন- দিনটি ছিলো বৃহস্পতিবার -১৯৷০২৷২০১৭ ইং আমি আমার মামাতো বোনের বিয়ের দাওয়াতে গেলাম ঠিক বিকালে সময় তখন ৫ টা বাজে প্রায় ,প্রথমে গিয়ে উঠলাম নানার বাসায় ব্যাগ  রেখে মামাতো ভাইয়ের সাথে মেতে উঠলাম আনন্দে জরিয়ে ধরে কুসল বিনিময় করলাম আর বললাম কি খবর সে হাসি দিয়ে বললো খবর তো গরম আমি বললাম কেন কি গরম খবর সে বললো থামো কিছুক্ষণের মধ্যে বুজতে পারবি ততক্ষণে আমি ভিষন চিন্তিত কারন না জানি কি খবর!
কিছুক্ষণ পর দেখি বাড়ীতে অনেক মেহমান এসেছে কিছু কিছু মেয়ে শাড়ী পরে এসেছে আমি বললাম এখন শাড়ী কেন রে সে বললো গায়ে হলুদ হবে তাই, আমি বললাম ও তাই ঠিক আছে তখন তাকে বললাম কি যে গরম খবর বলবিনা – আবার বলে থামো, ততক্ষণে আমার ধৈর্যের বাধ ভেংগে যাচ্ছে ৷
এদিকে কনে (মামাতো বোন) কে হলুদ ষ্টেজে নিয়ে গেছে পারার মেয়েরা গীত গাইছে ছুটাছুটি করে হলুদ মাখাচ্ছে যে যার মতো করে, তখন আমি সুট বুট পরে আছি আস্তে আস্তে বড় মামার বাড়ির দিকে রাওনা হলাম গিয়ে দেখলাম অচেনা কিছু মেয়ে কনের পাশে বসে আছে আর কনেকে হলুদ দিচ্ছে আমি তখন ক্যামেরা ওপেন করে ছবি তুলতে লাগলাম ঠিক সেই সময় একটি শাড়ী পরা সুন্দরী মেয়ে ষ্টেজ থেকে নেমে এসে আমার গালে মুখে হলুদ মাখাতে থাকে আমি কিছুটা সুযোগ বুঝে পাশকাটিয়ে দৌড় দিয়ে লুকালাম তারপর হাতমুখ পরিষ্কার করলাম ঐ সময় মামাতো ভাই  হাঁসতে হাঁসতে বলে এবার বুঝলি গরম খবরটা কি?
আমি তো অবাক আমার উপর এমন আক্রমন ! তখন তাকে বললাম তুই আগে বলবি না!মামাতো ভাইয়ের কাছে জানতে পারলাম মেয়েটি আগে থেকেই পরিকল্পনা করে রেখিছিলো – মামাতো ভাইকে বললাম কে এই মেয়ে ? সে উত্তর দিলো বলোতো কে সে?
আবার বিপাকে পরলাম তখন আর কিছুই বললাম না এমনিই তো রাগে আছি আমার সব নতুন জামা সুট হলুদে নষ্ট তাই, এরপর রাত হলো আমার মা আমাকে খাবার জন্য ডাকলো আমি খাইতে বসলাম এতটা ভাবিনি তখনো সেই মেয়েটি পিছু নিবে আমার, মুখে খাবার তুলতে না তুলতে সে ঝাপিঁয়ে দৌড়ে এসে আমার মা কে বলে আমিও খাবো তবে আলাদা প্লেটে না এই প্লেটে মানে আমার প্লেটে আমি তো আবার অবাক এই মেয়ে কি পাগল নাকি ?
আমি বললাম না হবে না তুমি আলাদা প্লেট নাও, সেও নাছোর বান্দা কোনমতেই পারলাম না বুঝাতে অবশেষে তার কাছে আমি নত স্বীকার আমি মুখে খাবার তুলি আর ভাবি কে এই মেয়ে তখন চুপ করে লজ্জায় কোন মতে অল্প খাওয়া করে উঠে পরলাম আর আমার মা কে ডাকলাম এবং বললাম মা কে এই মেয়েটি আমার মা বললো কেন সে তোর লতীফ মামার মেয়ে খুশী –!!খুশী আবার কে তখন মনে পরলো ও সেই ছোট্ট খুশী আজ এত বড় ভাবতেই পারিনি এবং চিনতেও পারিনি কারন তাকে আমি প্রায় ১২ বছর পূর্বে দেখেছিলাম তখন তার বয়স ছিলো ৪ বছর মাত্র কেমন করে চিনবো তাকে ৷
যাক এবার মায়ের কাছ থেকে পরিচয় পেয়ে কিছুটা চিন্তামুক্ত হলাম তখন আমি তাকে ডাকলাম আর বললাম খুশী বলোতো তুমি আমাকে কি করে চিনলে- আমি বলতে না বলতেই একটা হাঁসি দিয়ে বললো আপনি না চিনলেও আমি চিনি আপনাকে- আমি বললাম কিভাবে ?
খুশী বললো আপনার ব্যাপারে আমি অনেক শুনেছি আপনি নাকি অনেক রাগী আপনি নাকি সুন্দর আপনি নাকি ধমক দিয়ে কথা বলেন ,আমি বললাম কে বললো সে বললো আপনার মামাতো ভাই-বোনেরা তারা যখন আপনার ব্যাপারে প্রসংশা করে তখন আপনাকে দেখার আমার খুব ইচ্ছা হয় আর সেদিন থেকেই আমি মনে মনে ঠিক করি আমি আপনাকে রাগাবো ইচ্ছে করে দেখি আপনি কি করেন তাই আপনি আসার সাথে সাথে আমি আপনার পরিচয় নিয়ে আপনার সাথে এমন করেছি তাছাড়াও আমি আপনাকে ফেজবুকে দেখেছি তাই চিনতে সহজ হয়েছে ৷আমি তখন আরো “হতবাক ” না জানি এই মেয়ে আর কত কি জানে -!
এভাবে সেদিনের রাত শেষ হলো পরদিন সকালে আবার কনের জন্য হলুদের আয়োজন ঠিক আবার সেই হলুদ মাখামাখি সেও আমাকে হলুদ দিলো আমিও তাকে হলুদ মাখালাম কিছুটা লজ্জা দুর হলো, তারপর গোসল শেষ করলাম এবার খাওয়ার পালা তবে আজ এক প্লেটে নয় তবে কাছাকাছি সামনাসামনি আলাদা প্লেটে আমি খাচ্ছি আর তার দিকে তাকাচ্ছি সেও আমার দিকে তাকাচ্ছে, এবার খাওয়া শেষ করলাম পাশের এলাকায় এক দোকানে ঘুরতে গেলাম একসাথে প্রায় ১০ জনের মতো, যেতে যেতে আমি কথা বলছি আর আমার কথাগুলোর শতভাগ সমর্থন করছে খুশী, আমি যা পছন্দ করছি তারও সেটা পছন্দের, আমি যেটা করছিনা সেটা সেও করছেনা – অবাক ব্যাপার দএক পর্যায়ে সে বলে ফেললো আপনি কি প্রেম করেন ? আমি বললাম কেন কি মনে হয় -!
সে বললো না মনে হয় করেন না ,আমি বললাম হুম ৷ সে বললো আচ্ছা বিয়ে আসতে আরো অনেক দেরি আছে  আমরা একটু আলাদা ভাবে ঘুরতে যাই  আমিও বললাম চলো – তারপর আবার বাইসাইকেলে করে অনেক মজার ব্যাপার আধুনিক যুগে বাই- সাইকেল তবু বেরিয়ে পরলাম ঘুরতে ৷ ঘুরলাম প্রায় ২-৩ টি এলাকার রাস্তাগুলোতে ঘুরতে ঘুরতে সে আমার ব্যাপারে জানলো আমিও তার ব্যাপারে, এক পর্যায়ে দুজন দুজনের চোখের আড়াল হলে কেমন একাকীত্ব লাগে এমন অনূভূতি অনুভব হচ্ছিলো মনে হচ্ছিলো কি যেন পেলাম আর না দেখতে পেলে কি যেন হারাতাম!
অবশেষে সন্ধা নামলো বিবাহ এলো মামাতো বোনের বিবাহ বিদায় হলো তারপর বাসায় লোকজন কমলো সবাই তখন বেদনাসিক্ত ঠিক তখন সে আমার কাছে এসে বসলো বললো একদিন আমাকেও এভাবে বাবা মাকে ছেড়ে চলে যেতে হবে আমি বললাম না এমন বলতে নেই বিয়ে তো নারীর পুরুষের জন্য ফরজ কাজ সকলকে এটা মেনে নিতেই হয় ৷ বাদ দাও এসব কথা – তখন সে আমাকে বলে আপনি বিয়ে করবেন না?
আমি বললাম করবো তবে এখননি না সময় আছে আরো, সে বলে কবে সে সময়?  আমি বললাম হবে জানতে পারবে ৷ আমি প্রশ্ন করলাম খুশী তুমি বিয়ে করবে না?  সে বললো করবো তবে আপনার মতো ছেলে পেলে – আমি বললাম তাই!
কিছুক্ষণ পর সে আমাকে বলেই ফেললো আমার না কেমন লাগছে আমি বললাম কেমন?  বলো? সে বললো আপনার কি কিছু মনে হচ্ছে!  আমি বুঝতে পারছিলাম সে আমার প্রতি দুর্বলতার স্বীকার তবে মেয়ে মানুষ তো”  তাই বুক ফাঁটে মুখ ফাঁটে না ” আমি বললাম না আমার কিছুই মনে  হচ্ছে না ৷
খুশী হাতটি চেপে ধরলো আমার আর বললো আমি আপনাকে এই ২ দিনে ভালোবাসে ফেলেছি♥ I love you ♥আমি কিছু ভাবতে না ভাবতেই বলে ফেললাম ♥love you,2 ♥কারন আমিও তাকে ভালোবেসে ফেলেছিলাম—
এভাবে শুরু হলো প্রেম শুরু হলো অনেক দেখা হয়ে গেলা অনেক মান অভিমানের পালা বদল, বছর ঘুরতে না ঘুরতেই তার বাবা আয়োজন করলো তার বিয়ে একদিন ফোনে খুশী  বললো আমাকে আমার বিয়ে ঠিক হয়ে যাচ্ছে চলো পালাই আমি বললাম থাম আমি দেখছি বিষয়টা!
এভাবে তাকে থামিয়ে তার বাবাকে বললাম মামা দেখেন আপনার মেয়েটি আমাকে ভালোবাসে আমিও তাকে ভালোবাসি আমরা দুজন দুজনাকে অনেক চিনি জানি এবং আপনি ওর বিয়েটা বন্ধ করুন, তিনি কনো মতেই আমার কথা শুনলেন না এভাবে এক পর্যায়ে খোঁজ খবর নিতে নিতে পৌছালাম ছেলেটির বাড়ীতে তাকে খুলে  বললাম আমার ঘটনাটি সে রাজী হলো বললো আর সে বিয়ে করবে না চিন্তা মুক্ত হলাম কিছুটা খুশীকে বললাম সমস্যা নাই কাজ হয়ে গেছে চিন্তা করোনা – এভাবে কিছুদিন হতে না হতেই আবার পাত্রের খোঁজ আবার বিয়ে ভাংঙ্গা এভাবে ১৫ টি বিয়ে ভাংলাম একদিন খুশী আমাকে নিয়ে পালিয়ে যাবে বলে জোর করে আমি বলি না আমি তোমার বাবাকে কষ্ট দিতে পারবো না আমি চাইনা তারা কষ্ট পাক৷
এভাবে প্রায় কেটে গেল কয়েক মাস আবার রংপুরে বিয়ে দিবে তার বাবা ঠিক করেছে কথাটা শুনে আমার বুকটা ধরফর করে উঠলো সেদিনটি ছিলো শুক্রবার আমি আর ধৈর্য্য ধারন করতে পারলাম না আমার সাথে প্রায় একটি ছেলে থাকতো নাম মাহবুব তাকে নিয়ে রাওনা  হলাম খুশীর বাড়ীতে গিয়ে দেখছি খুশী বারান্দা ঝাড়ু দিচ্ছে তার মা সবজি কাটছে আমি গাড়ী থেকে নামলাম খুশী ঘরে নিয়ে গেল আমাদের বসলাম তাদের ঘরে, কিছুক্ষন পরে তার মা আমাদের জন্য জলখাবার নিয়ে আসলো আমি খেলাম না শুধু একগ্লাস পানি পান করলাম আর তার মাকে জোর সাহসে বললাম আমি আপনার মেয়েকে ভালোবাসি আমি তাকে বিয়ে করতে চাই আপনি খুশীর বিয়েটা বন্ধ করুন, তিনি বললো আমি কিছু করতে পারবোনা যা করার খুশীর বাবা করবে- আমি তখনও চিন্তিত ও হতভম্ব -!
কি যে হয় আজ, তখন আমি খুশীর মা কে জোর করে বললাম আমি তাকে না পেলে মরে যাবো এমন কথা বলতে বলতে খুশী তার মায়ের পায়ে লুটিয়ে পরে এবং কাদতে থাকে আর বলে মা আমি ও তাকে ভালোবাসি আমি তাকে চাই – কিন্তুুু তিনি আর কোন কথা বললেন না চুপ করে ঘর থেকে বাহিরে চলে গেলেন, এক পর্যায়ে আমি একটি ধারালো চাকু দিয়ে নিজেকে ক্ষতবিক্ষত করতে যায় তখন ঘরে খুশীর বাবা উপস্থিত খুশী আমাকে বাচাতে দৌড়ে এসে চাকুটি ছিনিয়ে নিয়ে ফেলে দিয়ে আমাকে জরিয়ে ধরে কাঁদতে থাকে, সে সময় সে কাঁদতে কাঁদতে বেহুশ হারিয়ে ফেলে আমি তখন তাকে কোলে তুলে নিয়ে বিছানায় শুয়ে দিই এবং মুখে পানি দিয়ে জাগরন করি তার হুশ ফিরে আসে, তারপর তারপক তার বাবা আমাকে প্রশ্ন করে?
তুমি কি করো?
তোমার পড়া লেখা কতটুকু?
তোমার কতগুলো সম্পতি আছে?
তুমি কি চাকুরী করো?  
তার বাবার এতগুলো প্রশ্ন শুনে আমি কি বলবো ভাবতে পারছিলাম না তখন মৃদু সুরে বললাম আমি অনার্স ৩য় বর্ষ পরিক্ষার্থী  কোন চাকুরী নাই আর সম্পদ বলতে যা আছে সবি আমার বাবার তবে আমি বেকার নয় আপনার মেয়েকে ভরনপেষন চালাতে পারবো – তখন তিনি গরম আওয়াজে বললো সরকারি চাকুরী ছাড়া আমার মেয়েকে তোমার সাথে বিয়ে দিবো না, আমার আর কি করার ফিরে এলাম বাড়ীতে ভিষন মন খারাপ আমার কি করবো ভেবে পাচ্ছিনা এভাবে কিছুদিন কেটে গেল খুশীর সাথে তেমন আর যোগাযোগ হচ্ছেনা আমার, আমি তার আশা ছেড়ে দেয়নি, কাজ আর কাজ নিয়ে ব্যাস্ত হলাম নিজেকে যোগ্য করে গড়ার চেষ্টা করলাম সম্পদ শালী হওয়ার জন্য জীবন যুদ্ধে নামলাম, তবে তার বাবার কাছে আমি একটা কথা গোপন করেছিলাম যে আমি সাংবাদিকতা করি ৷
একদিন ঠিক বিকাল পাঁচটা বাজে একটা অচেনা ফোন থেকে কল আসে আমি রিসিভ করলাম সে বললো আমি বলছি কলটা ব্যেক করো আমি ব্যেক  করলাম সে বললো তুমি তো আমার বাবার কথা রাখতে পারোনি আমি এখন আমার বাবার কথায় একমত আমার বাবা যেখানে বিয়ে দিবে আমি সেখানে বিয়ে করবো – তখন আমি বললাম আমাকে কিছুদিন সময় দিতো বলো তোমার বাবাকে – সে বললো আমি পারবোনা! !
আর বলেই কাঁদতে লাগলো কিছু বললো না আর চুপ করে রইলাম আমি – এভাবে সময় যায় দিন যায় আবার একদিন দুপুরে কল করলো আমাকে বললো কেমন আছ কি করছো?আমি বললাম ভালো আছি তুমি কেমন আছো?  সেও বললো ভালো কথাটা বলে কলটি কেটে দিলো -পরদিন  রাত প্রায় তখন ৮ টা হবে একটা কল আসলো ফনে আমি রিসিভ করলাম বললাম কে?  বলল আমি ওমের আমি বললাম কোন ওমের সে বললো খুশীর প্রতিবেশী আমি, ভাই খুশীর তো আজ বিয়ে -!!!!!
আমি থরথর করে কাঁপতে থাকি আর বলি কি বলছো তুমি ? সে বলে হ্যাঁ ভাই সত্যিই বলছি৷তখন আমি কি আর করবো রাতে ঘুম নেই চোখে কিছুই মিলাতে পারছিলাম না আমি, এভাবে কয়েকজন বন্ধুর কাছে বিষয়টি শেয়ার করি তারা সবাই সান্তনা দেয়, আমি কিছুটা শক্ত হলাম, নিজেকে তৈরি করলাম আলাদা ভাবে, আমার এখন অনেক ক্ষ্যাতি, সন্মান,টাকাও আয় হয় প্রায় ভালো, কয়েকটি চাকুরির প্রস্তাবও আছে, এখন আমি অনেক সাবলম্বী সফল একজন বাবার সন্তান হিসাবে আমি বাড়ী  গাড়ী সব কিছু করেছি অর্থ এখন আমার বন্ধু ,সবকিছু আছে এখন আমার, কিন্তুুু সেদিনের সেই পাশে বসা হাতটি ধরে ভালোবাসি বলা কথার মেয়েটি ” খুশী ” আজ নেই ৷৷
তবে আমি আজ যে সন্মান, যে টাকা যে পরিচয় অর্জন করেছি তা সবকিছুই ছিলো খুশীকে পাওয়ার আশায়- তবে তুমি পাশে নেই ,তুমি বৈঈমানি করেছো আমি করিনি, আমার সবকিছুই তোমাকে ঘিরে অর্জন —“খুশী”-৷
ধন্যবাদ তোমাকে আমি হয়তো তোমাকে ভালো না বাসলে বুঝতেই পারতাম না জীবন কাকে বলে?  জীবনে টাকার কি দাম,চাকুরী একজন অসহায় প্রেমীকের জন্য কতটা জরুরী,সম্পদ কতটুকু হলে প্রেম হয়, আর প্রেম নামের প্রতারনাটা কি? ???
বিদ্রঃ গল্পটি আমার নিজের লেখা জীবন কাহীনি – সকলের মাঝে শিক্ষনীয় বিষয় কেউ যেন চাকুরী ছাড়া প্রেম না করে সম্পদশালী না হয়ে কোন প্রতারক মেয়ের ছবলে আক্রান্ত না হয়– সাবধান।
কিউএনবি/সাজু/৩০শে এপ্রিল, ২০১৮ ইং/রাত ৮:১৫