২৪শে সেপ্টেম্বর, ২০১৮ ইং | ৯ই আশ্বিন, ১৪২৫ বঙ্গাব্দ | রাত ১১:৩০

সম্পন্ন হয়েছে ভোলাহাট আম ফাউন্ডেশন নির্বাচন৷

আলি হায়দার, ভোলাহাট প্রতিনিধিঃ চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার ছোট একটি উপজেলা ভোলাহাট। আর উপজেলার অর্থকরী ফসলের মধ্যে আম আর ধান প্রধান। বর্তমানে অর্থকরী ফসল হিসেবে আমই প্রসিদ্ধ। এ আম ফলকে নিয়ে বাংলাদেশের মধ্যে চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলায় সৃষ্টি হয়েছে “ভোলাহাট আম ফাউন্ডেশন”।

বাংলাদেশের মধ্যে বহুল আলোচিত কোটি কোটি টাকা আয়ের একমাত্র প্রতিষ্ঠান ‘আম ফাউন্ডেশন’র ত্রি-বার্ষিক নির্বাচনে ২৩টি কার্যকরী সদস্য পদের মধ্যে ১৮টি পদে নির্বচন সম্পন্ন হয়েছে। ৩ বছর মেয়দি কার্যনির্বাহী কমিটির নির্বাচনে সদস্যদের সরাসরি ভোটে সহ-সভাপতি পদে কামাল উদ্দিন ও আনসার আলী, সাধারন সম্পাদক পদে মোজাম্মেল হক চুটু, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক পদে আতাউর রহমান ও মনিরুল ইসলাম, কোষাধ্যক্ষ পদে লাল দেওয়ান ও এলাকা প্রতিনিধি হিসেবে ১২জন নির্বাচিত এবং ৫জন বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় বিজয়ী হন। বিপুল সংখ্যক সদস্যর আম ফাউন্ডেশন ভোলাহাটের ত্রি-বার্ষিক নির্বাচনে ভোলাহাট রামেশ্বর পাইলট ইন্সটিটিউটেশনে শনিবার সকাল ৮টা থেকে বিরতিনহীন ভাবে বিকেল ৪টা পর্যন্ত ৪ হাজার ১ শত ৬০ জন সদস্য ভোটার ১৭টি বুথে তাদের ভোট প্রদান করেন।

নির্বাচন পরিচালনা করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও আম ফাউন্ডেশন সভাপতি(পদাধিকার বলে) আব্দুলল্লাহ আল মামুন। নির্বাচনে রির্টানিং অফিসারের দায়িত্বে ছিলেন নির্বাচন অফিসার আশরাফুল হক, প্রিজাইডিং অফিসার ছিলেন উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা কামরুজ্জামান সরদার, মাধ্যমিক কর্মকর্তা আব্দুর রহমান ও বিআরডিবি কর্মকর্তা জাহাংগীর আলম। সহকারী প্রিজাইডিং অফিসার ১৭জন ও পোলিং অফিসার ছিলেন ৩৪জন। আইন শৃংখলার নিরাপত্তা দিতে উপস্থিত ছিলেন অফিসার ইনর্চাজ ফাছির উদ্দিন, ওসি(তদন্ত) শামীম হোসেনসহ ১৭জন কর্মকর্তা ও পুলিশ সদস্য, ১৫জন গ্রাম পুলিশ।

উল্লেখ্য, ভোলাহাট আম ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠার কথা বলতে গেলে গত ২০০১ সালে হাঁটি হাঁটি পা পা করে এর আত্মপ্রকাশ করে অদ্যাবধি চলে আসছে এর সাফল্য ও কার্যক্রম। আর এ প্রতিষ্ঠানের আত্মপ্রকাশ সহ প্রতিষ্ঠানটির যাবতীয় কাঠামো তৈরী করেছেন একজন উপজেলা নির্বাহী অফিসার। তিনি ২০০১ সালে ভোলাহাটে এসে এর কার্যক্রমের পরিধি দেখে এবং বিচার-বিশ্লেষন করে নামকরণ করেছিলেন “ভোলাহাট আম ফাউন্ডেশন”। সেই থেকেই চলে আসছে এ প্রতিষ্ঠানের সভাপতি পদে চিরস্থায়ী থাকবেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার পদাধিকার বলে। সে সময়ের উপজেলা নির্বাহী অফিসার আব্দুল মান্নান। বর্তমানে তিনি চাকরী থেকে অবসরে রয়েছেন।

কিউএনবি/নিল/ ২৯ এপ্রিল/১৮ঃ৩৯