২৪শে সেপ্টেম্বর, ২০১৮ ইং | ৯ই আশ্বিন, ১৪২৫ বঙ্গাব্দ | ভোর ৫:৫৭

কটিয়াদীতে বোরো ধানের বাম্পার ফলন! কৃষকদের মুখে হাসির ঝিলিক

 

মোহাম্মদ সিদ্দিক মিয়া,কটিয়াদী(কিশোরগঞ্জ)প্রতিনিধি : প্রাকৃতিক দূর্যোগ আর নিকোব্লাস্ট রোগের প্রাদুভার্ব এড়িয়ে কিশোরগঞ্জের কটিয়াদী উপজেলার পৌরসভাসহ ৯টি ইউনিয়নে অন্যান্য বছরের তুলনায় এবার অধিক জমিতে বোরো ধানের বাম্পার ফলন ও রেকর্ডমাত্রা ছাড়িয়ে গেছে।

আশানুরুপ বাম্পার ফলনের পাশাপাশি বাজার ধর ভাল পাওয়ায় কৃষকদের মূখে ফুটে উঠেছে হাসির ঝিলিক।কৃষি সম্প্রসারন অধিদপ্তরের সেচ,সার ও বীজসহ বিভিন্ন সুযোগ সুবিধা থাকায় এবংউন্নত জাতের ধানচাষ করে অনেক কৃষক নিজেদের ভাগ্যের চাকা ঘুড়িয়ে ফেলেছে।

বর্তমানে কটিয়াদীউপজেলারপৌরসদর,জালালপুর,মসুয়া,বনগ্রাম,আচমিতা,লোহাজুরী,মুমুরদিয়া,সহস্রামধুলদিয়া,করগাঁও,চান্দঁপুর ইউনিয়নে ইতিমধ্যে শুরু হয়েছে ধান কাটা,মাড়াইয়ের উৎসব।উপজেলা কৃষি অফিস সুত্রে জানা যায়,চলতি বছরে বোরো ধান চাষে মোট আবাদ হয়েছে ১২ হাজার ৪শত ৫৫ হেক্টর জমি,উৎপাদন মাত্রা ধরা হয়েছিল ৪৯ হাজার ৬শত ৩৯ মেট্রিক টন কিন্তু আশা করা হয়েছে ৫০,০০০ হাজার মেট্রিক টন ছাড়িয়ে যাবে।আদমপুর গ্রামের কৃষক জজ মিয়া জানান,আমি কৃষি অফিসের পরামর্শে এবার ৭ বিঘা জমি আটাস বোরোধান লাগিয়েছি বাম্পার ফলন হয়েছে।আবহাওয়া ভাল থাকায় ধান কেসোর্ভিস প্রতিবছর দেয় তবে আমরা আগামীতে বেশি ধান ফলাতে পারব।

মসুয়া ইউপি সদস্য খুর্শিদ উদ্দিন জানান,এ বছর উপজেলা কৃষি অফিসার,উপ-সহকারী কুষি অফিসার আমাদের সব সময় খোঁজখবর নিয়েছে সঠিক পরামর্শ দিয়ে এসেছে। সেই মতে আমরা জমিতে ধান চাষ করছি বিধায় ভাল ফলন পেয়েছি।

কটিয়াদী উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ হুমায়ুন কবীর বলেন, চলতি বোরো মৌসুমে ১২ হাজার ৪শত ৫৫ হেক্টর জমি চাষ হয়েছে।হাওর এলাকায় ধান কর্তন কার্তন চলমান রয়েছে।আবহাওয়া যদি ভাল থাকে ঝড় বৃষ্টি কোন প্রাকৃডুশ দূর্যোগে ফসল নষ্ট না হয় এবার কটিয়াদীতে আশা করছি ৫০ হাজার মেঃ টন ফলন অতিক্রম করবে।

কিউএনবি/রেশমা/২৫শে এপ্রিল,২০১৮ ইং/দুপুর ১:৩৯