১৬ই নভেম্বর, ২০১৮ ইং | ২রা অগ্রহায়ণ, ১৪২৫ বঙ্গাব্দ | দুপুর ১২:১৮

নোয়াখালীতে বনদস্যু ও ভূমিদস্যুদের তা-ব, বসত বাড়ী ঘর ভাংচুর-আহত ৬

 

মো: আবদুল্যাহ রানা,নোয়াখালী প্রতিনিধি : নোয়াখালী সুবর্ণচরে ভূমিদখলের জোর চেষ্টায় মেতে উঠেছে একদল ভূমি দস্যু ও বনদস্যু। জোর পূূর্বক ভূমি দখল করতে না পেরে রাতের অন্ধকারে ২ টি বসত ঘরে ডুকে ব্যাপক লুটপাট চালিয়ে নারী পুরুষ এলোপাতাড়ি পিটিয়ে গুরুত্বর আহত করে এবং ২ টি বসতঘর ভাংচুর করে আগুন ধরিয়ে দেয়।

খবর পেয়ে রাত ৩ টা ৩০ মিনিটে চরজব্বর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্তনে আনে।পুলিশ আসার খবর পেয়ে পালিয়ে যায় সন্ত্রাসীরা।। ঘটনাটি ঘটে সুবর্ণচর উপজেলার ৫ নং চরজুবিলী ইউনিয়নের দক্ষিণ কচ্চপিয়া গ্রামে।আহতরা বর্তমানে আব্দুল মালেক উকিল মেডিকেল হসপিটালে চিকিৎসাধীন আছেন।

মামলা এবং স্বরজমিনে গিয়ে জানাযায়, চরমহিউদ্দিন গ্রামের গোলাপ সারেং এর পুত্র নিজাম উদ্দিন (৩০) চরজুবলী গ্রামের দুলাল মিয়ার পুত্র রুহুল আমিন(৩১), দুলালের পুত্র জসিম উদ্দিন(২৮), চরমহিউদ্দিন গ্রামের সেলিমের পুত্র খলিল(২২), গোলাপ রহমানের পুত্র মাইন উদ্দিন(২৬), শেখ ফরিদ (৩২), সেলিমের পুত্র মোস্তফা (২৬), আলী আযাদের পুত্র সোহেল (২২), চরজব্বর গ্রামের নুর মোহাম্মদের পুত্র ঈসমাইল(৪৫) সহ ১০/১২ জনের একটি ভাড়াটিয়া সন্ত্রাসী গত ১০ এপ্রিল চরমহিউদ্দিন গ্রামের ইব্রাহিম খলিল ওরফে ধনু মিয়ার নতুন বসতঘরে ব্যাপক হামলা এবং লুটপাট করে, ঘটনাটি স্থানিয়দের জানায় এবং নোয়াখালী বিজ্ঞ সিনিয়র বিচারিক ম্যাজিস্ট্রেট ২ নং আমলী আদালতে একটি মামলা দায়ের করে মামলা নং ১৭৮ , এতে উপরোক্ত সন্ত্রাসীরা ক্ষিপ্ত হয়ে গত ১৯ এগ্রিল রাতের অন্ধকারে ইব্রাহিমের বাড়িতে তা-ব চালিয়ে মারধর, লুটপাট, ভাংচুর ও অগ্নিসংযোগ করে ২ টি বসতঘর সম্পর্ণ ভেঙ্গে পেলে এবং স্বর্ণ অলংকার ও নগদ ৬০ হাজার টাকা নিয়ে যায়।

এতে আহতরা হলেন চরমহিউদ্দিন গ্রামের মো: ইব্রাহিম খলিল, তার স্ত্রী পাখি বেগম (৪৫), মেয়ে কাজলী বেগম(২২), ছেলে রাশেদ (২০), নুর নবীর স্ত্রী কুলসুম বেগম (৩০), মেয়ে লিমা আক্তার (১৬)। সন্ত্রাসীরা বেধড়ক পিটিয়ে ইব্রাহিম খলিল ওরফে ধনু মিয়ার একটি পা ভেঙ্গে পেলে। ঘর-বাড়ী হারিয়ে খোলা আকাশের নিচে বসবাস করছে ভুক্তভোগিরা ।

ভুক্তভোগিরা জানান, দক্ষিন কচ্চপিয়া ৭৫৪ ও ১ নং খতিয়ানের ১৫৯ দাগের জমি ভূমিদস্যু নিজাম উদ্দিনকে অসহায় হিসেবে জমির মালিক আবু বক্কর ছিদ্দিক ২০১৬ সালে ৬ শতাংশ জমি দান করেন, দান করার পর নিজাম ৩১৯ দাগের ৩২ শতাংশ এবং ১৫৯ দাগের ৩৫ শতাংশ জমি জোরপূর্বক দখল করার পায়তারা করে যাচ্ছে। এতে আবু বক্কর ছিদ্দিক থেকে ক্রয় করা জমির মালিক ইব্রাহিম খলিল এবং নুর নবীর বসতঘর নির্মান করার পর থেকেই উচ্ছেদ করতে উপরোক্ত ঘটনাটি ঘটায় অভিযুক্ত ভ’মিদস্যু নিজাম উদ্দিন।

ঘটনার বিষয়ে জানতে নিজাম উদ্দিনের সাথে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলে তার মুঠোফোনটি বন্ধ পাওয়া যায়।

এব্যাপরে চরজব্বর থানার ওসি জানান, ঘটনাটি আমি শুনেছি পরবর্তিতে আইনী ব্যাবস্থা নেয়া হবে।

 

 

 

 

 

কিউএনবি/সাজু/২২শে এপ্রিল, ২০১৮ ইং/বিকাল ৪:১৩