২০শে নভেম্বর, ২০১৮ ইং | ৬ই অগ্রহায়ণ, ১৪২৫ বঙ্গাব্দ | রাত ১:৫১

নোয়াখালী সুবর্ণচরে চলছে মিনি পতিতালয়, অনুসন্ধানে বেরিয়ে এলো ভয়ংকর তথ্য

 

নোয়াখালী প্রতিনিধি : নোয়াখালী সুবর্ণচর উপজেলার ৫ নং চরজুবলী ইউনিয়নের চরজুবলী গ্রামে অবাধে চলছে মিনি পতিতালয়, হুমকিতে রয়েছে যুব সমাজ, এলাকাবাসী অভিযোগের ভিত্তিতে অনুসন্ধানে বেরিয়ে আসে ভয়ংকর তথ্য, যানাজায়, চরজুবলী গ্রামের মৃত মন্নাছ ব্যপারীর ছেলে সাহাব উদ্দিনের বাড়ীর ভাড়া বাসায় দির্ঘদিন ধরে চলছে মিনি পতিতালয়, ভিবিন্ন অঞ্চল থেকে শত শত খদ্দের প্রতিরাতে আসেন ঐ বাড়ীতে এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্য সৃস্টি হয়েছে।

অনুসন্ধানে যানাজায় গত ১৪ এপ্রিল রাত ১১ টায় চরজব্বর ইউনিয়নের ৭ নং ওয়ার্ডের গ্রাম পুলিশ মনির উদ্দিনের নেন্ত্রীত্বে কয়েকজন অজ্ঞাত যুবক ঐ বাড়ীতে প্রবেশ করে, আগ থেকে গ্রাম বাসীর ঐ বাড়ীতে পাহারা বসায় গ্রামবাসী ঘটনারদিন রাতে ঐ যুবদের ধরতে এলাকাবাসী ধাওয়া করলে একটি মোটর সাইকেল সহ এক যুবকে ধরে পেলে স্থানীয়রা বাকিরা দৌঁড়ে পালিয়ে যায়।

মুহুর্তে খবরটি ছড়িয়ে পড়লে এগিয়ে আসে ১ নং ওয়ার্ডের বর্তমান ইউপি সদস্য রাশেদ নিজাম তিনি ঘটনাটি দেখছেন বলে সবাইকে বাহিরে রেখে পতিতাদের ঘরে প্রবেশ করে এবং বেরিয়ে এসে বলেন, ’ঘরে কেউ নেই’ পরে অভিযুক্ত যুবকে তার আত্বীয়র জিম্মায় দিয়ে ছেড়ে দেন এবং মোটর সাইকেলটি রাশেদ নিজাম তার জিম্মায় রাখেন, সকালে শালিসের আশ্বাস দিয়ে উপস্থিত গ্রামবাসীকে নিয়ে স্থান ত্যাগ করেন ইউপি সদস্য, তার ঠিক দেড় ঘন্টা পর রাত দেড়টায় এলাকাবাসী দেখতে পান পূনরায় ঐ বাড়ীতে এক যুবক প্রবেশ করছে, এলাকাবাসী আবারো পাহারা দিতে থাকেন রাত ৩ টায় ঐ বাসা থেকে অগোচালো অবস্থায় বেরিয়ে আসেন ইউপি সদস্য রাশেদ নিজাম এতো রাতে এ বাসায় রাশেদ নিজাম কেন এলেন এলাকাবাসী জানতে চাইলে তিনি ক্ষিপ্ত হয়ে উঠেন এবং ঐ স্থান ত্যাগ করেন।

বিষয়টি স্থানীয়রা ৫ নং চরজুবলী ইউপি চেয়ারম্যান ও সুবর্ণচর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ হানিফ চৌধুরীকে অবহিত করেন তিনিও বিষয়টি মিমাংশা করে দেয়ার আস্বাস দেন। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক স্থানীয় বাসিন্দা জানান, গত নির্বাচনে একই ওয়ার্ডের মেম্বার পার্থী ছিলেন সাহাব উদ্দিন তিনি দির্ঘদিন ধরে বাসা ভাড়ার নামে মিনি পতিতালয়টি পরিচালনা করছেন।

এ ঘটনায় বর্তমানে এলাকায় টক অফ দ্যা টাউনে পরিনত হয়েছে। এর পূর্বে রাশেদ নিজামের বিরুদ্ধে সুবর্ণচর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের নার্সকে তুলে নিয়ে ধর্ষণের হুমকি এবং নার্সদের মারধরে অভিযোগে আটক করা হয় রাশেদ নিজামকে। এ ঘটনাটি চেয়ারম্যানকে অবহিত করায় বর্তমানে এলাবাসী রাশেদ নিজামের হুমকিতে নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন।

এব্যাপারে অভিযুক্ত রাশেদ নিজাম ও সাহব উদ্দিনের সাথে আলাপ করতে চাইলে তাদের মুঠো ফোনটি বন্ধ পাওয়া যায়।

 

 

 

 

 

কিউএনবি/সাজু /১৭ই এপ্রিল, ২০১৮ ইং/বিকাল ৫:৪৫