২৩শে সেপ্টেম্বর, ২০১৮ ইং | ৮ই আশ্বিন, ১৪২৫ বঙ্গাব্দ | রাত ২:৫৯

মৌলভীবাজারের বড়লেখায় হারুন অর রশিদ হত্যা মামলায় ২ যাবজ্জীবন কারাদন্ড

 

এস এম মেহেদী হাসান,মৌলভীবাজার প্রতিনিধি : মৌলভীবাজারের বড়লেখাতে হারুন অর রশিদ হত্যা মামলায় ২ আসামীকে যাবজ্জীবন কারাদন্ড প্রদান করেছে মৌলভীবাজারের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালত।

মঙ্গলবার বেলা সাড়ে ১২টার দিকে এ রায় দেন মৌলভীবাজারের অতিরিক্ত জেলা দায়রা জজ আদালতের বিচারক মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম।যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত আসামীরা হচ্ছে বড়লেখা উপজেলার পুকুরিয়া গ্রামের আব্দুল বারি’র ছেলে আছার উদ্দিন (৩০) এবং একই গ্রামের মৃত আব্দুল মুতলিবের ছেলে সমজ আলী(২০)।

এই মামলায় অন্য দুই আসামীকে খালাস দিয়েছে। তারা হলেন, বদরুল ইসলাম প্রকাশ বদরুল এবং হারুন।ঘটনার বিবরণে জানা যায়, ২০০৬ সালের ২৩ মে জেলার বড়লেখা উপজেলার ছাতারখাই গ্রামের আব্দুল আহাদের (চুনু মিয়া) ছেলে হারুন অর রশিদের লাশ উদ্ধার করা হয় একই গ্রামের আব্দুল শুকুরের পুকুরের উত্তর পাড়ে রেন্টি গাছের সঙ্গে আটকনো পাওয়া যায়।

২৬ মে বড়লেখায় থানায় আব্দুল আহাদ (চুনু মিয়া) বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা আসামী করে হত্যা মামলা দায়ের করেন। বড়লেখা থানার মামলা নং ৯, তারিখ,২৬/০৫/২০০৬। জিআর মামলা নং ৪৮/০৬ (বড়লেখা)।পুলিশী অনুসন্ধানে মামলার আসামীদের সনাক্ত করে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়।

আসামী আছার উদ্দিন ও সমজ আলী আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্ধি দেয়।এবং ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার বিষয়টি আদালতে স্বীকার করে। মামলায় ১৫ জন স্বাক্ষী উপস্থাপন করে মামলাটি প্রমাণ করতে সক্ষম হয়েছেন রাষ্ট্রপক্ষ।

রাষ্ট্র পক্ষের আইনজীবী অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর কৃপাসিন্ধু দাশ জানান, ২০০৬ সালে ঘটনার তারিখে সকাল ৮ ঘটিকায় অত্র মামলার আসামী পুকুরিয়া গ্রামের আব্দুল বারির ছেলে আছার উদ্দিন এবং জুনাব আলীর ছেলে হারুনের সঙ্গে কথাকাটাকাটি হয়। এরই জের ধরে দুপুর ১২ টা থেকে ৪ ঘটিকার মধ্যে ভিকটিম হারুন অর রশিদের গলায় রশি দিয়ে শ্বাসরোদ্ধ করে হত্যা করে।

এবং এলাকায় প্রচারণা চালায় রশিদ আত্মহত্যা করেছে। পরবর্তীতে পুলিশ ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকায় আসামী আছার উদ্দিন, সমজ আলী, বদরুল ইসলাম প্রকাশ বদরুল এবং হারুনকে গ্রেফতার করে।

আসামী আছার উদ্দিন ও সমজ দোষ স্বীকারমূলক ফৌঃ কাঃ বিধি আইনের ১৬৪ ধারার জবানবন্ধি ও স্বাক্ষীদেও জবানবন্ধি অনুসাওে আছার উদ্দিন ও সমজকে ৩০২/৩৪ ধারায় দোষী সাবস্থ্য করিয়া অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালত যাবজ্জীবন সম্রম কারাদন্ড ও প্রত্যেকের ২৫ হাজার টাকা করে জরিমানা প্রদান করেন।

অনাদায়ে ৬ মাসের বিনা শ্রম কারাদন্ডন প্রদান করে। সাজাপ্রাপ্ত আসামীদ্বয় আদালতে উপস্থিত ছিলেন। আদালত সাজা পরওায়ানামূলে হাজতে প্রেরণ করা হয়।

বিবাদীপক্ষে মামলা পরিচালনা করেন, অ্যাডভোকেট ডাডলী ডেরিক প্রেন্টিস এবং আশরাফ উদ্দিন চৌধুরী।অ্যাডভোকেট ডাডলী ডেরিক প্রেন্টিস রায়ের প্রকিক্রিয়া ব্যক্ত করে বলেন, এ রায়ে আমরা সন্তুষ্ট নয়।আমরা ন্যায় বিচারের জন্য উচ্চ আদালতে যাব।

 

 

 

 

 

কিউএনবি/সাজু /১৭ই এপ্রিল, ২০১৮ ইং/বিকাল ৫:২০