১৬ই নভেম্বর, ২০১৮ ইং | ২রা অগ্রহায়ণ, ১৪২৫ বঙ্গাব্দ | রাত ১২:৫৭

নোয়াখালীতে ১৪৪ ধারা অমান্য করে সরকারী ও প্রতিবন্ধির জায়গা দখল করে মার্কেট নির্মান

 

নোয়াখালী প্রতিনিধি : নোয়াখালী সদর উপজেলার অশ্বদিয়া সেতুর পার্শ্বে জাহাঙ্গীর আলম নামের এক অসাধু দখলদার ব্যাক্তি নামে বে-নামে এলাকার নিরিহ জনগণকে মামলা মোকাদ্দমা দিয়ে হয়রানি করে জোর পূর্বক জায়গাজমি দখল করে নিচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

সরজমিনে গিয়ে দেখা যায় এল এ নথি নং ০৩/২০১৩-১৪, আইয়ুবপুর মৌজার জে এল নং ১৪৭, জমির পরিমান ০.১৪ একর, সোনাপুর – কবিরহাট – কোম্পানীগঞ্জ (বসুরহাট)-দাগনভুঞা (জেড-১৪৪১) সড়কের ৩য় কিঃ মিঃ অংশে নোয়াখালী খালের উপর ৪৮.৭৮ মিটার পিসি গার্ডার সেতু নির্মানের লক্ষে অশ্বদিয়া সেতুর পূর্ব পার্শ্বে সড়ক এপ্রোচ এর জন্য জমি অধিগ্রহন প্রকল্পের আওতায় ব্যাক্তি মালিকানা জমি সরকার অধিগ্রহন করার পর উল্লেখিত জাহাঙ্গীর আলম ২৪ ডিসেম্বর ২০১৪ সালে সরকারী মৌজার নিলামকৃত অবকাঠামোর মূল্য বাবদ সর্বমোট ৫২,৮৬,৮৯৮/- ( বায়ান্ন লক্ষ ছিআশি হাজার আটশত আটানব্বই টাকা) বুঝিয়া নেন।

উল্লেখিত ব্যাক্তি সরকারের কাছ থেকে নিলামকৃত টাকা বুঝিয়া নেওয়ার পর সুক্ষ কারচুপির মাধ্যমে একই জায়গায় নতুন করে মার্কেট তৈরী করেন। আরো জানা যায়, একই এলাকার মৃত মোজাফ্ফর আহম্মদের ছেলে প্রতিবন্ধি কার্ড ধারী মোঃ জাহাঙ্গীর হোসেনের ০.৮৭ শতাংশ জমি একই মার্কেটের আওতাধীন দখল করে নেন।

কয়েকজন এলাকা বাসির সাথে কথা বলে আরো জানাযায়, জাহাঙ্গীর আলম দীর্ঘদিন যাবৎ অত্র এলাকার গরিব ও নিরিহ লোকদের বিভিন্ন মামলা মোকাদ্দমার মাধ্যমে দলিল জালিয়াতি করে জায়গাজমি দখল করে নেন। সাংবাদিকরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে আসারপর তিনি খবর পেয়ে সংবাদ কর্মীদেরকে কটাক্ষ ভাষায় গালমন্দ করেন এবং সামনে পেলে হাত পাঁ গুড়িয়ে দেওয়ার হুমকিও দেন।

অভিযুক্ত ব্যাক্তি জাহাঙ্গীর আলমকে না পেয়ে তার মুঠোফোনে যোগাযোগ করলে সংবাদকর্মীদেরকে গালমন্দ করার বিষয়টি অ-শিকার করে তিনি বলেন, সরকারের রাস্তা পুরোটাই আমার জায়গার উপর দিয়ে নির্মান করেছেন আমি কেন সরকারের জায়গা দখল করে মার্কেট নির্মান করব এবং সরকারী জায়গা হলে সরকার এসে দেখবে ও কথা বলবে এখানে আপনারা সাংবাদিকরা কেন কথা বলবেন?

তার কাছ থেকে ১৪৪ ধারার সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি জবাব দেন, আমার মার্কেট নির্মানের অনেক দিন পরে ১৪৪ ধারা জারি হয়। পরে আমি ১৪৪ ধারা থাকা অবস্থায় পুনরায় কাজ চলমান রাখার জন্য এটিএম কোর্ট থেকে অনুমোতি নিয়ে আসি।

উক্ত বিষয়ে নোয়াখালী সড়ক বিভাগের প্রধান প্রকৌশলী বিনয় কুমারের সাথে ফোন আলাপে জানতে চাইলে তিনি বলেন, উক্ত বিষয়ে আমার কাছে একটি লিখিত অভিযোগ এসেছে এবং এ বিষয়ে জেলা প্রশাসককে অবগত করা হয়েছে অতিদ্রুত তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যাবস্থা গ্রহন করা হবে বলে জানান।

 

 

 

 

 

কিউএনবি/সাজু/১৫ই এপ্রিল, ২০১৮ ইং/বিকাল ৩:০৬