২৫শে সেপ্টেম্বর, ২০১৮ ইং | ১০ই আশ্বিন, ১৪২৫ বঙ্গাব্দ | সকাল ৯:১৫

ঠাকুরগাঁওয়ে গরুর দাম কম – টাকা লোকসান কৃষকদরে ৷

 

রফিকুল ইসলাম সুজন, রানীশংকৈল, (ঠাকুরগাঁও) প্রতিনিধিঃ ঠাকুরগাঁওয়ের হাটগুলোতে গুরুর বাজার কম হওয়ায় লোকসান গুনতে হচ্ছে কৃষক সহ গরু খামারিদের, জানা যায় সাম্প্রতিক বাজার তুলনায় বর্তমানে গরুর বাজার প্রায় অনেক নিম্ন মানের ৷ ঠাকুরগাঁওয়ের বৃহৎ হাট নেকমরদ,কাতিহার,যাদুরানী,লাহিড়ী সহ পীরগঞ্জ জাবরহাটের গরুর বাজারগুলোতে প্রায় অনেক নিম্নমানের দামে গরু বিক্রী করতে হচ্ছে৷
জানা যায় দেশি গরু গঠন অনুপাতিক ১৫-২০ হাজার টাকার মধ্যে পাওয়া যাচ্ছে এতে করে গরু খামারিরা সহ চরম লোকসানের স্বিকার হচ্ছেন সাধারন মানুষ ৷
এদিকে বর্তমানে গরুর এমন বাজার কেন এমন প্রশ্নে জবাবে এক গরু ব্যাবসায়ী বলেন আমি গত হাটে কাতিহার হাট থেকে ৩০ হাজার টাকা মূল্যে একটি গরু ক্রয় করি কিন্তুু এখন বাজারে বিক্রী করতে হবে সেই গরুটি ২৫-২৬ হাজার টাকার মধ্যে, আমার অনেক লোকসান হবে আমি অর্থনেতিক ভাবে অনেক ক্ষতির স্বিকার হবো ব্যবসা করতে আর শান্তি পাচ্ছি না ,আপনারাতো সাংবাদিক মানুষ (হামার দুঃখলা একটু লেখেন) আমাদের দুঃখগুলো একটু লেখিয়েন ৷

বাজারে বিক্রী করতে আসা রহিম নামের এক ব্যক্তির সাথে কথা বললে তিনি বলেন আমার এই গরুটি আগের বাজারে ৪০ হাজার টাকা বিক্রী করতে পারতাম কিন্তুু এখন আমাকে ৩০ হাজার টাকায় বিক্রী করতে হচ্ছে এতে আমি অনেক ক্ষতির স্বিকার হচ্ছি ৷

এদিকে এমন মন্তব্যের সাথে একমত প্রকাশ করে এক ব্যক্তি বলেন ভারত থেকে চোরাই গরু বাজারে প্রবেশ হওয়ার কারনে দেশী গরুর দাম অনেকটা কম তাছাড়া ঢাকা থেকে আগত গরু ব্যাবসায়ীরা সিন্ডিকেটের মাধ্যমে গরু কেনা বেচা করছেন এবং তারা পুঁজিবাদী সাম্রাজ্য বিস্তারের জন্য দেশি গরু কম কিনছেন যাতে করে তারাই কম দামে গরুগুলো কিনতে পারে ৷
কুিন্তুু যদি এভাবে সিন্ডিকেট আর অবাধে ভারতীয় গরুর অনুপ্রবেশ ঘটে ঠাকুরগাঁওয়ের হাটগুলোতে তাহলে স্থানীয় গরু খামারিরা কি করে লাভবান হবে কি করে চালাবে তাদের সংসার কে নেবে তাদের সংসাসের দায়িত্ব এমন প্রশ্ন হাজার হাজার মানুষের ৷

স্থানীয় গরু খামারিদের সরকারের কাছে দাবী যেন দূততার সাথে বাজার মনিটরিং করে সরকারি খাতে জরুরী ভাবে ভারতীয় গরুর অনুপ্রবেশ রোধ করেন এবং গরু ব্যবসায়ীদের সিন্ডিকেট থেকে সাধারন কৃষক সহ গরু ব্যাবসায়ীদের সহযোগিতা করেন ৷

 

কিউএনবি/অদ্রি আহমেদ/০৮.৪.১৮/ রাত ১২.২৩