১৭ই নভেম্বর, ২০১৮ ইং | ৩রা অগ্রহায়ণ, ১৪২৫ বঙ্গাব্দ | সকাল ১০:৩৫

চতুর্থ শ্রেণির শিক্ষার্থীর শ্লীলতাহানির অভিযোগ শিক্ষকের বিরুদ্ধে

 

সারাদেশঃ ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গায় একটি মাদ্রাসার শিক্ষকের বিরুদ্ধে চতুর্থ শ্রেণির শিক্ষার্থীর (১২) শ্লীলতাহানির অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ব্যাপারে প্রতিকার চেয়ে ওই শিশুর মা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।

আলফাডাঙ্গার গোপালপুর ইউনিয়নের একটি মাদ্রাসার চতুর্থ শ্রেণির ছাত্রী ওই শিশু ঘটনার শিকার হয়েছে বলে জানা গেছে। ওই মাদ্রাসার এবতেদায়ি শাখার সহকারী শিক্ষক রবিউল ইসলামের বিরুদ্ধে এ অভিযোগ উঠেছে।শিশুটির বাবা বলেন, গত ১৫-১৬ দিন ধরে আমার মেয়ে মাদ্রাসায় যাওয়া বন্ধ করে দেয়। ওর মায়ের মাধ্যমে আমি জানতে পারি মাদ্রাসার এক শিক্ষক ওর শ্লীলতাহানি করেছে। এ জন্য সে মাদ্রাসায় যাচ্ছে না। আমি বিষয়টি মাদ্রাসার সুপার ও এলাকাবাসীকে জানালে তারা আপস মীমাংসা করার কথা বলে সময় ক্ষেপণ করে। পরে এ ব্যাপারে প্রতিকার চেয়ে গত ২৭ মার্চ ইউএনও’র নিকট লিখিত অভিযোগ দেন আমার স্ত্রী।

শিশুটির বাবা আরো বলেন, ‘লিখিত অভিযোগ করার পর গোপালপুর বাজারের প্রভাবশালীরা বাজার থেকে আমার ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান উচ্ছেদের হুমকি দিয়েছে।’ লিখিত অভিযোগ পাওয়ার সত্যতা নিশ্চিত করে ইউএনও জয়ন্তী রূপা রায় বলেন, ‘অভিযোগটি তদন্ত করে দেখার জন্য উপজেলা মহিলাবিষয়ক কর্মকর্তাকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।’

তবে শ্লীলতাহানির অভিযোগ অস্বীকার করে ওই মাদ্রসারা সহকারী শিক্ষক রবিউল ইসলাম বলেন, ‘শ্রেণিকক্ষে পড়া না পারায় আরো দুই তিন ছাত্রীর সঙ্গে ওই ছাত্রীকে আমি থাপ্পড় দেই। এ বিষয়টি রঙচঙ দিয়ে আমার বিরুদ্ধে শ্লীলতাহানির যে অভিযোগ আনা হয়েছে তা ভিত্তিহীন।’

ওই মাদ্রসারা সুপার আব্দুস সামাদ বলেন, ‘ছাত্রীর শ্লীলতাহানির ব্যাপারে আমার কাছে কেউ কোনো অভিযোগ দেয়নি। তবে পরস্পরের কাছ থেকে গুঞ্জন শোনার পর আমি ওই শিক্ষকের কাছে বিষযটি জানতে চাইলে তিনি বলেন, এ রকম কোনো ঘটনা আদৌ ঘটেনি।’আলফাডাঙ্গা উপজেলা মহিলাবিষয়ক কর্মকর্তা কাকলী দত্ত বলেন, ‘অভিযোগটি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। শুনানির জন্য আগামীকাল শনিবার নির্ধারণ করা হয়েছে। উভয় পক্ষকে উপস্থিত থাকার জন্য নোটিশ দেওয়া হয়েছে।’

 

কিউএনবি/অদ্রি আহমেদ/০৬.০৪.১৮ রাত ১১.১৫