২৬শে সেপ্টেম্বর, ২০১৮ ইং | ১১ই আশ্বিন, ১৪২৫ বঙ্গাব্দ | ভোর ৫:১৩

আহত শাহআলমের মাথায় দিতে হয়েছে ৪৬ সেলাই পরশুরামে বোন-ভগ্নিপতির বর্বর হামলায় আহতের ঘটনায় আদালতে মামলা

 

আবদুল্লাহ রিয়েল,ফেনী প্রতিনিধি : পরশুরামে বোন-ভগ্নিপতির বর্বর জঘন্য হামলায় গুরুতর আহত শাহআলমের স্ত্রী আমেনা আক্তার গত মঙ্গলবার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ও আমলী আদালত,পরশুরামে  মামলা দায়ের করেছেন। মামলায় শাহআলমের ভগ্নিপতি নুরুল আলম(৪৫),নুরুল আলমের ছেলে মো.ইউনুছ, মেয়ে ইয়াছমিন আক্তার ও নুরুল আলমের স্ত্রী পারুল আক্তারকে আসামী করা হয়েছে।চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে মৃত্যুশয্যায় আহত শাহআলমের মাথায় দিতে হয়েছে ৪৬ সেলাই ।

প্রত্যক্ষদর্শী ও মামলার অভিযোগে জানা গেছে,উপজেলার মির্জানগর ইউনিয়নের আশ্রাফপুর গ্রামের মুছা মিয়ার বাগানে গত শুক্রবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় পাতা কুড়াতে যায় শাহআলমের স্ত্রী আমেনা আক্তার। সেখানে গিয়ে তিনি বাগানের ৩টি আকাশি গাছের কাটা গোড়া দেখতে পেয়ে শাহআলমকে বিষয়টি জানান। মুছা মিয়ার অনুরোধে বাগানটি রক্ষনাবেক্ষন করতেন শাহআলম।

শাহআলম বাগানে এসে বিষয়টি মোবাইল ফোনে মুছা মিয়াকে জানান।এরপরই ক্ষিপ্ত হয়ে উঠে শাহআলমের ভগ্নিপতি নুরুল আলম।নুরুল আলমের হাতে থাকা ধারালো ছেনি দিয়ে এলোপাথাড়ি কোপাতে থাকে শাহআলমকে।

শাহআলমকে বাঁচাতে তাঁর স্ত্রী  আমেনা আক্তার,ছেলে শাহাদাত হোসেন(১৪)এগিয়ে এলে তাদেরকেও পিটিয়ে জখম করে।ইয়াছমিন আক্তারের লাঠির আঘাতে শাহাদাত হোসেনের ডানহাত ভেঙ্গে যায়।স্থানীয়রা এগিয়ে এসে শাহআলমসহ আহতদের হাসপাতালে নিয়ে যায়। 

শাহআলমকে পরশুরাম হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক ফেনী সদর হাসপাতালে পাঠিয়ে দেয়।অবস্থা আশংকাজনক হলে চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।সেখানে শাহআলমের মাথা ও শরীরে প্রায় ৪৬ সেলাই দিতে হয়েছে।

এদিকে এমন বর্বর ঘটনায় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রকাশ হলে তীব্র প্রতিবাদ ও নিন্দার ঝড় উঠে। এমন ঘটনার দৃষ্টান্তমুলক শাস্তি দাবি করেছেন সচেতন মানুষ।

মামলায় বাদী পক্ষের আইনজীবি মনির উদ্দিন মিনু জানান,এমন জঘন্য ঘটনা আর দেখিনি।মহামান্য বিচারক মামলাটি সরাসরি এফআইআর করতে পরশুরাম মডেল থানাকে নির্দেশ দিয়েছেন।

 

 

 

 

 

কিউএনবি/সাজু/৪ঠা এপ্রিল, ২০১৮ ইং/সন্ধ্যা ৬:৩৬