২০শে সেপ্টেম্বর, ২০১৮ ইং | ৫ই আশ্বিন, ১৪২৫ বঙ্গাব্দ | সকাল ১১:৪৯

এবার গলায় শিক্ষা সনদ ঝুলিয়ে রাস্তা ঝাড়ু

 

সরকারি চাকরিতে নিয়োগে বিদ্যমান কোটা পদ্ধতির সংস্কার চেয়ে ধারাবাহিক আন্দোলনের অংশ হিসেবে গলায় শিক্ষা সনদ ঝুলিয়ে রাস্তা পরিষ্কার কর্মসূচি পালন করেছে চাকরিপ্রত্যাশীরা। গতকাল রবিবার সকালে পূর্বঘোষিত কর্মসূচির অংশ হিসেবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে এ কর্মসূচি পালন করা হয়।

কর্মসূচিতে যোগ দিতে ঢাকার বেশ কয়েকটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা সকাল থেকেই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারের সামনে জড়ো হয়। পরে সেখান থেকে গলায় শিক্ষা সনদ ঝুলিয়ে ও হাতে ঝাড়ু নিয়ে রাজু ভাস্কর্য হয়ে শহীদ মিনার পর্যন্ত ঝাড়ু দেয় তারা। বাংলাদেশ সাধারণ শিক্ষার্থী অধিকার সংরক্ষণ পরিষদের ব্যানারে ওই কর্মসূচি পালন করা হয়। এ সময় তারা কোটা সংস্কারের দাবিতে স্লোগান দিতে থাকে। পরে শহীদ মিনার থেকে ফুলার রোড হয়ে ‘স্মৃতি চিরন্তন’ এসে কর্মসূচি শেষ হয়। সেখানে ৩১ মার্চ কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে কোটা সংস্কারের দাবিতে নাগরিক সমাবেশের ঘোষণা দেওয়া হয়।

গ্রন্থাগারের সামনে আন্দোলনকারীরা জড়ো হওয়ার সময় আন্দোলনের সমন্বয়ক বনী ইয়ামিন নামের এক শিক্ষার্থীকে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা জোর করে মধুর ক্যান্টিনে ধরে নিয়ে যায় বলে অভিযোগ ওঠে। এ বিষয়ে সাইফুর রহমান সোহাগ কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘আমরা ইয়ামিনকে ধরে আনিনি। আন্দোলনকারীরা তো আমাদেরই ভাই। তাদের সঙ্গে এমনিতেই কথা বলেছি।’

আন্দোলনের বিষয়ে প্রধান সমন্বয়ক হাসান আল মামুন কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রী শূন্যপদে মেধার ভিত্তিতে নিয়োগ দেওয়ার ঘোষণা দিলেও আমরা এর সার্বিক সংস্কার চাই। এটা করা হলে মেধাবীরা দেশের উন্নয়নে অবদান রাখতে পারবে। তাই আগামী ৩১ মার্চ আমরা শহীদ মিনারে নাগরিক সমাবেশ করব।’

এদিকে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা গতকাল সকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের শাবাশ বাংলাদেশ মাঠে সাধারণ শিক্ষার্থীদের ব্যানারে সমাবেশের আয়োজন করে। সমাবেশে রাবির ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের শিক্ষার্থী মাসুদ মুন্নাফ বলেন, ‘আমরা কোটাব্যবস্থা বাতিল নয়, সংস্কার চাই। কোটা অবশ্যই থাকবে। তবে এর কারণে যেন মেধাবীরা বঞ্চিত না হয়, সেটাও প্রধানমন্ত্রীকে নিশ্চিত করতে হবে।’ এ সময় তিনি ঢাকায় আন্দোলনকারী প্রায় ৭০০ শিক্ষার্থীর নামে করা মামলা দ্রুত প্রত্যাহারের দাবি জানায়।

 

কিউএনবি/অদ্রি আহমেদ/।২৬.৩.১৮/১১.১৪