১০ই ডিসেম্বর, ২০১৮ ইং | ২৬শে অগ্রহায়ণ, ১৪২৫ বঙ্গাব্দ | রাত ১০:৩৪

শহীদদের স্মরণে চোখ ধাঁধানো ব্যতিক্রমী আয়োজন

 

ডেস্ক নিউজ : একটি দুটি নয়, লাখো প্রদীপ জ্বেলে শহরের কুরিরডোব মাঠে ভাষা শহীদদের স্মরণ করলেন নড়াইলবাসী। একইসঙ্গে ভাষা দিবসের বার্ষিকীতে ৬৭টি ফানুস ওড়ানো হয়। এ এক চোখ ধাঁধানো ব্যতিক্রমী আয়োজন।

‘অন্ধকার থেকে মুক্ত করুক একুশের আলো’ স্লোগান নিয়ে প্রতি বছরের মতো এবারও নড়াইলের সরকারি ভিক্টোরিয়া কলেজ সংলগ্ন কুড়িরডোব মাঠে লাখ মোমবাতি জ্বেলে নড়াইলবাসী স্মরণ করেছে অমর একুশের ভাষা শহীদদের।

একুশের ভাষা শহীদদের স্মরণে বুধবার সন্ধ্যায় নড়াইল একুশ উদযাপন পর্ষদ এ মঙ্গল প্রদীপ প্রজ্জ্বলন অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। মোমবাতি প্রজ্জ্বলন অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন বীরশ্রেষ্ঠ নূর মোহাম্মদের স্ত্রী বেগম ফজিলাতুন্নেছা।

সন্ধ্যায় সূর্যাস্তের সঙ্গে সঙ্গে প্রজ্জ্বলন শুরু হয় মোমবাতি। একে একে জ্বলে ওঠে লাখো মোমবাতি। ধীরে ধীরে আকার স্পষ্ট করে দেয় নানা বর্ণমালার, শহীদ মিনার, জাতীয় স্মৃতিসৌধ, জাতীয় সংসদ ভবন, শাপলা ফুল আর বিভিন্ন আলপনা।

অন্ধকার ছাপিয়ে বাহারি ডিজাইনের আলোয় আলোকিত হয়ে যায় বিশাল মাঠ। মাঠের পাশের মঞ্চে সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোটের পরিবেশনায় ভাষার গণসংগীত ও কবিতা।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন- নড়াইলের জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট সোহরাব হোসেন বিশ্বাস, জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক নিজাম উদ্দিন খান নিলু, জেলা প্রশাসক মো. এমদাদুল হক চৌধুরী, পুলিশ সুপার সরদার রকিবুল ইসলাম, পৌর মেয়র জাহাঙ্গীর বিশ্বাস ও বিভিন্ন মিডিয়াকর্মীসহ নড়াইলের গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।

একুশে উদযাপন পর্ষদের আহ্বায়ক প্রফেসর মুন্সী হাফিজুর রহমান ও সদস্য সচিব প্রখ্যাত নাট্য ব্যক্তিত্ত্ব কচি খন্দকার বলেন, আমাদের জ্ঞানের যে অন্ধকার, সাম্প্রদায়িকতার যে বিষবাষ্প, সমাজের কূপমুণ্ডকতাসহ সব অন্ধকারের বিরুদ্ধে একুশের আলো। এ আলো শুধু মাঠের আলো নয়। সামগ্রিক অশুভ শক্তির বিরুদ্ধে জেগে ওঠার প্রত্যয় জাগানিয়া আলো।

এছাড়া বিকেলে আলোচনা, গণসংগীত, আবৃত্তি, নান্দনিক পাঠ ও রাতে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

 

 

 

 

 

কিউএনবি/সাজু/২১শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ ইং/রাত ৯:০৮