১৭ই নভেম্বর, ২০১৮ ইং | ৩রা অগ্রহায়ণ, ১৪২৫ বঙ্গাব্দ | রাত ১০:০১

বিএনপির মিছিলে পুলিশের গুলি, আহত শতাধিক

 

ডেস্ক নিউজ : ফরিদপুরে বিএনপির শান্তিপূর্ণ মিছিলে পুলিশের বেধড়ক পিটুনি ও গুলিতে সাংবাদিকসহ শতাধিক আহত হয়েছে।

আজ মঙ্গলবার সকাল ১১টার দিকে ফরিদপুর শহরের সুপার মার্কেট চত্বরে এ ঘটনা ঘটে।
 
বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে আজ মঙ্গলবার জেলা বিএনপির উদ্যোগে বিক্ষোভ মিছিলের আয়োজন করা হয়। সকালে থেকেই বিভিন্ন ওয়ার্ড থেকে মিছিল নিয়ে সুপার মার্কেট চত্বরে আসতে থাকেন নেতাকর্মীরা। ফরিদপুর কোতোয়ালি থানার এসআই নাসিরের নেতৃত্বে পুলিশ মিছিলে বাধা দিতে থাকে। 
একপর্যায়ে পুলিশ মিছিলকারীদের ব্যানার কেড়ে নেয়।এ সময় কয়েক দফায় নেতাকর্মীদের লাঠিপেটা ও সাংবাদিকদের দায়িত্ব পালনে বাধা দেওয়া হয়। বেলা সোয়া ১১টার দিকে বিএনপির ফরিদপুর বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক শামা ওবায়েদ ইসলাম সেখানে পৌঁছালে পুলিশ বেপরোয়া হয়ে ওঠে।
এসআই নাসির, হারুন, আবুল ও কনস্টেবল নাহিদুলের নেতৃত্বে পুলিশ বাঁশের লাঠি দিয়ে জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ মোদাররেছ আলী ইছা, যুগ্ম সম্পাদক সৈয়দ জুলফিকার হোসেন জুয়েলসহ শতাধিক নেতাকর্মীকে বেপরোয়া পেটাতে থাকলে মাটিতে লুটিয়ে পড়েন তারা।
 
এ সময় মিছিলটি ছত্রভঙ্গ হয়ে যায়। পরে নেতাকর্মীরা সংগঠিত হয়ে পুলিশের ওপর ইটপাটকেল ছুঁড়লে পুলিশ কোনোরকম সতর্ক না করে সরাসরি গুলি চালায়। এতে সাংবাদিক, দলীয় নেতাকর্মী এবং ব্যবসায়ীসহ শতাধিক ব্যক্তি আহত হন। খবর পেয়ে পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগের (ডিবি) সদস্যরা ঘটনাস্থলে যান।
 
ডিবি পুলিশের সদস্যরা সুপার মার্কেটসহ চৌরঙ্গী মোড়সহ পুরো এলাকার দোকানপাট, বাড়িঘর ও পথচারীদের ওপর চড়াও হন। এতে পুরো এলাকায় ত্রাস ছড়িয়ে পড়ে। মানুষ দোকানপাট বন্ধ করে  নিরাপদ এলাকায় ছুটতে থাকে। এ সময় পুলিশ মোদাররেছ আলী ইছা ও জুলফিকার হোসেন জুয়েলসহ ২০ নেতাকমীকে আটক করে।  
এদিকে, বিএনপি নেত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম ফরিদপুর প্রেসক্লাবে তাৎক্ষণিক এক প্রেসব্রিফিং করে পুলিশের নারকীয় হামলার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান। তিনি পুলিশের এ নগ্ন হামলায় জড়িতদের বিচারের দাবি জানান।
কিউএনবি/রেশমা/২০শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ ইং/ দুপুর ১:১৫