২৫শে সেপ্টেম্বর, ২০১৮ ইং | ১০ই আশ্বিন, ১৪২৫ বঙ্গাব্দ | রাত ৩:২৯

কিয়ামতের দিন মুমিনের পাল্লা ভারী করবে উত্তম চরিত্র

 

ডেস্ক নিউজ : ইসলাম মানুষে মানুষে মানবিক কোনো ব্যবধান কিংবা বৈষম্য স্বীকার করেনি। মানবিক মর্যাদায় সাধারণভাবে সবাইকে সমান মর্যাদা ও গুরুত্ব প্রদান করেছে।

মানুষের উৎস ও বিস্তার সম্পর্কে বর্ণনা দিয়ে আল্লাহতায়ালা এ বিষয়টি নির্দেশ করেছেন। এ প্রসঙ্গে কোরআনে কারিমে ইরশাদ হয়েছে, ‘হে মানুষ! তোমরা তোমাদের প্রতিপালককে ভয় করো, যিনি তোমাদেরকে এক ব্যক্তি হতে সৃষ্টি করেছেন, যিনি সৃষ্টি করেছেন সে ব্যক্তি থেকে তার জোড়া, আর তাদের দু’জন থেকে ছড়িয়ে দিয়েছেন অসংখ্য পুরুষ ও নারী। তোমরা আল্লাহকে ভয় করো, যার নামে তোমরা একে অন্যের নিকট কিছু চাও। আর তোমরা আত্মীয়দের (হক আদায় ও সম্পর্ক অটুট রাখার) ব্যাপারে সতর্ক হও। নিশ্চয় আল্লাহ তোমাদের ওপর সতর্ক দৃষ্টি রাখেন।’ -সূরা আন নিসা: ১

আল্লাহতায়ালা আরও বলেন, ‘হে মানুষ! আমি তোমাদেরকে সৃষ্টি করেছি এক পুরুষ ও এক নারী হতে, পরে তোমাদেরকে বিভক্ত করেছি বিভিন্ন জাতি ও গোত্রে, যাতে তোমরা একে অপরের সঙ্গে পরিচিত হতে পারো।’ –সূরা আল হুজুরাত: ১৩

এ প্রসঙ্গে হাদিসে হজরত রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘হে মানবজাতি! সাবধান! নিশ্চয়ই তোমাদের রব একজন, তোমাদের পিতাও একজন। সতর্ক হও! কোনো আরবের ওপর অনারবের শ্রেষ্ঠত্ব নেই, কোনো অনারবের ওপর আরবের শ্রেষ্ঠত্ব নেই। কোনো কালোর ওপর সাদার কিংবা সাদার ওপর কালোর তাকওয়া ব্যতীত কোনো মর্যাদা নেই।’ -ইমাম আহমাদ, আল মুসনাদ, হাদিস নং- ২৩৪৮৯

সাধারণভাবে সব মানুষকে এভাবে সমান ঘোষণার পর কোরআন ও হাদিসে মানুষের ওপর মানুষের শ্রেষ্ঠত্ব ও কর্তৃত্বের জন্য বিশেষ যোগ্যতা অর্জনের তাগিদ দেওয়া হয়েছে। আল্লাহ তায়ালা বলেছেন, ‘তোমাদের মধ্যে আল্লাহর নিকট সে ব্যক্তিই সবচেয়ে বেশি মর্যাদাসম্পন্ন, যে তোমাদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি তাকওয়াবান। নিশ্চয়ই আল্লাহ সবকিছু জানেন, সবকিছুর খবর রাখেন।’ –সূরা আল হুজুরাত: ১৩

মানুষের যোগ্যতা অর্জন ও দক্ষতা বৃদ্ধির জন্য পূর্ব শর্ত হলো- নৈতিক উন্নয়ন। নৈতিক উন্নয়ন ছাড়া এগুলো অর্জিত হলেও তা স্থায়ী হয় না। 

কিউএনবি/রেশমা/২৮শে জানুয়ারি, ২০১৮ ইং/সকাল ৯:০৫