২১শে নভেম্বর, ২০১৮ ইং | ৭ই অগ্রহায়ণ, ১৪২৫ বঙ্গাব্দ | বিকাল ৪:১৯

দেবীগঞ্জে গরুর লাঙ্গল দিয়ে হাল চাষ বিলুপ্তের পথে শেখ ফরিদ,

 

শেখ ফরিদ,দেবীগঞ্জ(পঞ্চগড়) প্রতিনিধ : পঞ্চগড়রে দেবীগঞ্জ উপজেলায় আগের মত এখন আর লাঙ্গল দিয়ে গরু টানা হাল চাষ দেখা যায় না ।যা ভুলে যাবার নয়,একসময় ছিল গোলা ভরাধান ,পুকুরভরা মাছ ও আর গোয়াল ভরাগরু।আর মাঠের নিবীর নিরালায়রা খালের বাঁশির সুর।

এসবই গ্রাম বাংলার কৃষকদের প্রাচীন ঐতিহ্য হলেও বর্তমানে আধুনিকতার সঙ্গে-সঙ্গে হাল চাষের পরিবর্তনে এখন ট্রাক্টর অথবা পাওয়ার টিলার দিয়ে জমি চাষ করা হয়।একসময় উপজেলার বিভিন্ন অঞ্চলে বাণিজ্যিকভাবে কৃষক গরু পালন করতো হাল চাষ করার জন্য।আবার কিছু মানুষ গবাদি পশু দিয়ে হাল চাষকে পেশা হিসেবেও নিত।নিজের সামান্য জমির পাশাপাশি অন্যের জমিতে হাল চাষ করত।

হালের গরু দিয়ে দরিদ্র মানুষ জমি চাষ করে ফিরে পেততাদের পরিবারের সচ্ছলতা।আগে দেখা যেত মুয়াজ্জিনের আযানশুনে কৃষক গরু,লাঙ্গল,জোয়াল নিয়েমাঠে বেরিয়ে পড়তো।এখন আর চোখে পড়েনা গরুর লাঙ্গল দিয়ে চাষা বাদ।

জমি চাষের প্রয়োজন হলেই অল্প সময়ের মধ্যেই পাওয়ার টিলার সহ আধুনিক যন্ত্র পাতি দিয়ে চালাচ্ছে চাষাবাদ।তাই কৃষকরা এখন পেশাবদলিকরে অন্য পেশায় ঝুকছেন।ফলে দিন দিন কমে যাচ্ছে গরু দিয়ে হাল চাষ।

গরু দিয়ে হাল চাষ করে আসা দেবীগঞ্জ মুন্সিপাড়া আলহাজ্জ আব্দুল বারীসাহেব জানান লাঙ্গল দিয়ে  হাল চাষ করলে জমির উর্ববতাবারে গরুর গবর জমিতে পরলে এতে করে জমিতে অনেক জৈব সার হত।তিনি আরো বলেনবাড়িতে হাল চাষের জন্য বলদ গরু ছিল ৩-৪ জোড়া।চাষের জন্য দরকার হতো কাঠ লোহার তৈরি লাঙ্গল,জোয়াল,মই,লরি(বাঁশের তৈরি গরু তাড়ানোর লাঠি),গরুর মুখে টোনা ইত্যাদি।

আধুনিক যন্ত্রপাতির থেকে গরুর লাঙ্গলে চাষ গভীর হয়।জমির উর্বরতা শক্তি বৃদ্ধি ও ফসলের চাষা বাদ করতে সার কীট নাশকসাশ্রয় পায়।তাই কষ্টহলেও প্রায় ৪০ বছর ধরে গরুর লাঙ্গল দিয়ে চাষা বাদ করে আসছি।

কিউএনবি/সাজু/৩১শে ডিসেম্বর, ২০১৭ ইং/সন্ধ্যা ৬:৫৩