১৯শে নভেম্বর, ২০১৮ ইং | ৫ই অগ্রহায়ণ, ১৪২৫ বঙ্গাব্দ | বিকাল ৫:২৫

নীলফামারীতে সপ্তাহব্যাপী বই মেলার উদ্বোধ

 

আইয়ুব আলী, নীলফামারী প্রতিনিধি : বই মেলার উদ্বোধনকালে সংস্কৃতিমন্ত্রী আসাদুজ্জামান নূর (এমপি) বলেন, ‘আমরা সন্তানদের হাতে যদি বই কিনে দেই তা হলে তাদের ভবিষ্যৎ উজ্জল হবে। ওই বই পড়ে জ্ঞান বাড়বে, তারা প্রকৃত মানুষ হিসেবে গড়ে ওঠবে। বিভিন্ন ক্ষেত্রে তারা দক্ষতা এবং জ্ঞানের পরিচয় দিতে পারবে, না হলে দেখা যাবে এমএ পাশ করেও চাকুরী মিলছে না। তিনি আরো বলেন,‘আগে বই মেলা অনুষ্ঠিত হতো জেলা পর্যায়ে। সেখানে স্থানীয় পুস্তক ব্যবসায়ীরা অংশ নিত। এতে মেলার উদ্দেশ্য বাস্তবায়ন হতো না।

এ কারণে বইমেলার তাৎপর্য ঢাকা থেকে জেলা পর্যায়ে ছড়িয়ে দিতে সরকার জাতীয় পর্যায়ের প্রকাশকদের অংশগ্রহনে প্রথমবারের মতো এমন মেলার আয়োজন করেছে। “আলো ছড়াতে, আধার তাড়াতে বই পড়ি, পাঠাগার গড়ি” এই শ্লোগানকে সামনে রেখে নীলফামারীতে জেলা পর্যায়ে প্রথমবারের মতো বৃহৎ পরিসরে সাত দিনব্যাপী বই মেলা শুরু হয়েছে। গত শুক্রবার (৮ ডিসেম্বর) দুপুর ১২টায় শহরের বড়মাঠে বই মেলার আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করেন প্রধান অতিথি সংস্কৃতিমন্ত্রী আসাদুজ্জামান নূর (এমপি)।

সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রনালয়ের অর্থায়নে জাতীয় গ্রন্থ কেন্দ্রের উদ্যোগে মেলার আয়োজন করে জেলা প্রশাসন। নীলফামারীর মেলায় দেশের জাতীয় পর্যায়ের ৫৫টি প্রকাশনা প্রতিষ্ঠান, ছাড়াও বাংলা একাডেমীসহ ছয়টি সরকারী প্রতিষ্ঠানসহ আটটি বেসরকারী প্রতিষ্ঠান অংশগ্রহন করেছে।
’জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ খালেদ রহীমের সভাপতিত্বে এসময় মধ্যে বক্তব্য রাখেন, জাতীয় গ্রন্থ কেন্দ্রের পরিচালক নজরুল ইসলাম, জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান জয়নাল আবেদীন, পুলিশ সুপার জাকির হোসেন খান, নীলফামারী পৌর সভার মেয়র দেওয়ান কামাল আহমেদ, বাংলাদেশ জ্ঞান ও সৃজনশীল প্রকাশক সমিতির সভাপতি মাজহারুল ইসলাম, জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মমতাজুল হক, সংস্কৃতিক মন্ত্রণালয়ের সহকারী পরিচালক ফরিদ উদ্দিন, গোলাম নবী হাওলাদার প্রমুখ। অনুষ্ঠানে জাতীয় গ্রন্থ কেন্দ্রের পরিচালক নজরুল ইসলাম জানান, আগামী চার মাসের মধ্যে দেশের প্রতিটি বিভাগের দুটি করে জেলায় মোট ১৬টি বই মেলা অনুষ্ঠিত হবে।

সস্কৃতিমন্ত্রণালয়ের অর্থায়নে জাতীয় গ্রন্থ কেন্দ্রের সহযোগিতায় এসব মেলার আয়োজন করবে সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসন। নীলফামারী জেলার বই মেলার উদ্বোধনের মধ্য দিয়ে এটির সূচনা হলো।

সভাপতি জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ খালেদ রহীম জানান, ৮ ডিসেম্বর থেকে ১৪ ডিসেম্বর পর্যন্ত মেলাটি চলবে। জাতীয় পর্যায়ের ৫৫টি প্রকাশনা প্রতিষ্ঠানসহ মোট ৬৯টি প্রতিষ্ঠান অংশগ্রহন করেছে এ মেলায়। এছাড়া মেলায় থাকবে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানসহ মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক নাটক। এখানে খ্যাতিনাম প্রকাশক, লেখকদের মিলন মেলা ঘটবে।

কিউএনবি/সাজু/৯ই ডিসেম্বর, ২০১৭ ইং/সকাল ১০:৩১