২৬শে সেপ্টেম্বর, ২০১৮ ইং | ১১ই আশ্বিন, ১৪২৫ বঙ্গাব্দ | সকাল ৬:৫৮

মলিন মুখে ফিরে যাচ্ছেন ইন্দোনেশিয়ান সেই তরুণী

 

বাঙালি যুবকের প্রেমের টানে সুদূর ইন্দোনেশিয়া থেকে পটুয়াখালীর বাউফলে চলে আসা নিকি উল ফিয়ার নামের সেই তরুণী ব্যথিত হৃদয়ে স্বদেশে ফিরে যাচ্ছেন। বিমানের টিকেটের জন্য ইতিমধ্যে তিনি ট্র্যাভেল এজেন্সির সাথে কথা বলেছেন।

ওই তরুণীর প্রেমিক ইমরানের বয়স ২১ বছর না হওয়ায় আইনি প্রতিবন্ধতায় তিনি স্বদেশ ফিরে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন। তবে ইমরানের বিয়ের বয়স না হওয়া পর্যন্ত তিনি অপেক্ষা করবেন বলে জানান


জানা গেছে, পটুয়াখালী সরকারি কলেজের উদ্ভিদ বিজ্ঞান বিভাগের তৃতীয় বর্ষের ছাত্র মো. ইমরান হোসেনের (১৯) সাথে ফেসবুকে এক বছর আগে নিকি উল ফিয়ারের (২৪) পরিচয় হয়। ইমরান দাসপাড়া ইউনিয়নের দাশপাড়া গ্রামের পুরান বাবুর্চি বাড়ির দেলোয়ার হোসেনের ছেলে। একপর্যায়ে তারা প্রেমের সর্ম্পকে জড়িয়ে পরেন। নিকি উল ফিয়া ইন্দোনেশিয়ার সুরা বায়া বিভাগের জাওয়া গ্রামের মি. ইউ লি আন থোর মেয়ে। তিনি স্নাতকোত্তর ডিগ্রি নিয়ে ইন্দোনেশিয়ার একটি বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষকতা করছেন।


গত ১ ডিসেম্বর নিকি উল ফিয়ার ভালোবাসার টানে সুদূর ইন্দোনেশিয়া থেকে ঢাকা চলে আসেন। সেখান থেকে ৩ ডিসেম্বর প্রেমিক ইমরানের পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলার দাসপাড়া গ্রামের বাড়িতে আসেন।


সংশ্লিষ্ট একটি সূত্র জানায়, এখানে এসে নিকি যখন জানলেন, আইন অনুযায়ী প্রেমিক ইমরানের বিয়ের বয়স ২১ হয়নি। তখন তিনি হতাশ হয়ে পরেন। তার হাস্যেজ্জল মুখ মলিন হয়ে যায়। নিরবে চোখের পানি ফেলেন।


নিকি উল বলেন, খবরটি জানার পর আমি ব্যথিত হয়েছি। ২-১ দিনের মধ্যে আমার দেশে চলে যাবো। বিমানের টিকেটের জন্য ট্র্যাভেল এজেন্সির সাথে কথা বলেছি। ইমরান ও তার পরিবারের সদস্যদের ব্যবহারে আমি মুগ্ধ। আমি ইমরানের বিয়ের বয়স না হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করবো।

 

কিউএনবি /রিয়াদ/৬ই ডিসেম্বর, ২০১৭ ইং /রাত ১০:৫৬