১৫ই নভেম্বর, ২০১৮ ইং | ১লা অগ্রহায়ণ, ১৪২৫ বঙ্গাব্দ | রাত ৯:০৫

 নীলফামারী দারোয়ানী টেক্সটাইল মিলস্ :উদ্ধোধন করলেন মন্ত্রী আসাদুজ্জামান নূর

 

মোঃ আইয়ুব আলী, নীলফামারী প্রতিনিধি : দীর্ঘ দিন বন্ধ থাকার পর আবারো সুতা উৎপাদন শুরু করলো নীলফামারী দারোয়ানী টেক্সটাইল মিলস্। গেল সোমবার (২৭ নভেম্বর) সন্ধ্যায় বিটিএমসি পরিচালিত উত্তরবঙ্গের মিলসটির আনুষ্ঠানিক ভাবে প্রধান অতিথি থেকে উদ্ধোধন করেন সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রী আসাদুজ্জামান নুর (এমপি)।

মিলসটি উদ্ধোধন কালে মন্ত্রী বলেন, বিএনপি জামায়াত জোট সরকারের সময় বন্ধ করে দেয়া সরকারী শিল্পকলকারখানা এখন চালু করা হচ্ছে। দেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আজ দেশের প্রতিটি জেলায় উন্নয়নের ছোঁয়া লেগেছে। তারই ধারাবাহিকতায় দারোয়ানী টেক্সটাইল মিলসটি আবারো সুতা উৎপাদন শুরু করলো। এতে করে এলাকার বেকারত্ব দূর হবে।

আমরা চাই সারা দেশের মতো নীলফামারী জেলাও শিল্পকলখানায় এগিয়ে যাক। তিনি আরো বলেন, বর্তমান সরকারের অধিনে পদ্মা সেতু ও পায়রা সমুদ্র বন্দরের মতো উন্নয়নের মহাপরিকল্পনাগুলো বাস্তবায়ন সম্ভব হচ্ছে। এর আগে তিনি ফিতা কেটে ওমেশিনের সুইট অন করে মিলের সুতা উৎপাদনের আনুষ্ঠানিক উদ্ধোধন করেন।

বাংলাদেশ টেক্সটাইল মিলস করপোরেশনের চেয়ারম্যান বীরপ্রতীক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মাহবুব আহমেদ জাকারিয়ার সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় উপস্থিত ছিলেন, জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ খালেদ রহীম, জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা জয়নাল আবেদীন, পুলিশ সুপার জাকির হোসেন খান, দারোয়ানী টেক্সটাইল মিলের উপ-মহা ব্যবস্থাপক মজিবুর রহমান, মিলটি ভাড়ায় নেয়া প্রতিষ্ঠান নারায়নগঞ্জের মের্সাস আরকে ইয়াং ট্রেডিং এর মালিক গোপাল চন্দ্র সাহা, জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও পৌর মেয়র দেওয়ান কামাল আহমেদ, সাধারণ সম্পাদক এ্যাড. মমতাজুল হক, সাংগঠনিক সম্পাদক হাফিজুর রশিদ মঞ্জু, সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আবুজার রহমান, ভাইস চেয়ারম্যান আরিফা সুলতানা লাভলী, জেলা যুব লীগের সভাপতি রমেন্দ্র বর্ধন বাপী, সাধারণ সম্পাদক সাহিদ মাহমুদ, জেলা সেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি কামরুজ্জামান, সাধারণ সম্পাদক দীপক চক্রবর্তী, জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি মনিরুল হাসান শাহ্ আপেল, সাধারণ সম্পাদক মাসুদ সরকার প্রমুখ।

উল্লেখ্য যে, ১৯৮০ সালে ২৫ এপ্রিল বাংলাদেশ টেক্সটাইল মিলস্ করপোরেশনের অধিনে দারোয়ানী টেক্সটাইল মিলসটি উদ্ধোধন করা হয়। সে সময় ১১ কোটি ৯০ লাখ ২৮ হাজার টাকা ব্যয়ে ২৫ হাজার ৫৬টি জামানী টাকু মেশিন স্থাপন করা হয়। যা দিয়ে মান সম্মত সূঁতা উৎপাদন করা হতো।কিন্তু বিএনপি সরকারের আমলে ১৯৯৫ সালে লোকসান দেখিয়ে এটি বন্ধ করে দেয়া হয়।

কিউএনবি/সাজু/২৮শে নভেম্বর,২০১৭ ইং/দুপুর,১২:২১