১৭ই নভেম্বর, ২০১৮ ইং | ৩রা অগ্রহায়ণ, ১৪২৫ বঙ্গাব্দ | সকাল ৮:৩১

নীলফামারী বাজারে আসতে শুরু করেছে নতুন আলু

 

মোঃ আইয়ুব আলী, নীলফামারী প্রতিনিধি :নীলফামারীর বাজারে উঠতে শুরু করেছে নতুন আলু। সবজির বাজারে নতুন আলুর চাহিদাও অনেক বেশী। তাই হুমড়ি খেয়ে ক্রেতা সাধারন নতুন আলু কিনছে। নীলফামারী বাজারে নতুন আলু উঠতে শুরু করেছে।

এতে ত্রেতাদের চাহিদাও রয়েছে অনেক। সদরের টুপামারী, সোনারায়, কচুকাটা, বাবড়ীঝাড় ও কিশোরগঞ্জ উপজেলার পুটিমারী, নিতাই ও উত্তর দুরাকটি, জলঢাকা উপজেলার দক্ষিন দেশিবাই সহ অন্যান্য ইউনিয়ন গুলোতে নতুন আলু তুলতে শুরু করেছে চাষিরা ।


জেলা কৃষি সম্প্রসারন অধিদপ্তর সূত্রে জানায়, এবার আগাম জাতের আলুর চাষ হয়েছে প্রায় ৯ হাজার ১৯ হেক্টর জমিতে। জেলায় মোট আলুর চাষ হয়েছে প্রায় ২৩ হাজার হেক্টর।


সদরের রামনগর ইউনিয়নের রামনগর হাটের কাঁচামাল ব্যবসায়ী আকবার আলী বলেন, বাজারে খুচরা আলু ৫৫ থেকে ৭৫ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। এ ছাড়া জেলার বাহিরে থেকে পাইকাররা এসে মাঠ থেকে আলূ ক্রয় করে নিয়ে যাচ্ছে।


নতুন আলুর বাজারে খুচরা মুল্য ৫৫ থেকে ৭৫ টাকা কেজি দরে বিক্রি হলেও প্রকৃতপক্ষে আলুচাষিরা বাজারে কম দাম পাচ্ছে। ফলে ন্যায্য দাম থেকে বঞ্চিত হচ্ছে আলু চাষিরা।


জলঢাকা উপজেলার পাঠানপাড়া ও দক্ষিন দেশিবাই গ্রামের আলু চাষি আব্দুস সামাদ বলেন, আগাম হলান্ড জাতের সাদা আলু গত বছর ক্ষেতেই বিক্রি করছিলাম ৩৫ থেকে ৪৫ টাকা। এবার ওই জাতের আলূই প্রতি কেজি ক্ষেতে বিক্রি হচ্ছে ৩৫ থেকে ৩৭ টাকা।


সরেজমিনে, জলঢাকা উপজেলার বটতলা গ্রামে আলুর ক্ষেতে, পাইকার ব্যবসায়ী আবু তাহের বলেন, পরিবহন খরচ, জমি হতে আলু উত্তোলন খরচসহ আমাদের দিতে হয়। তাই মাঠ থেকে কম দামে আলু কিনতে হচ্ছে।


কৃষি সম্প্রসারন অধিদপ্তরের অতিরিক্ত উপ-পরিচালক মো. কেরামত আলী জানান, অতিবৃষ্টি ও বন্যার কারনে আগাম জাতের আলু উঠতে দেরি হয়েছে।

মাটি ভেজা থাকার কারণে আগাম সাদা হলান্ড জাতের আলু উঠতে কিছুটা বিলম্ব হওয়ায় বাজারে দেশী জাতের আলুও উঠতে শুরু করেছে। তাই সামান্য একটু সমস্যা দেখা দিয়েছে। তবে কয়েক দিনের মধ্যে ঘারতি পূরণ হবে বলে তিনি জানান।

কিউএনবি /রিয়াদ/২৬শে নভেম্বর, ২০১৭ ইং/দুপুর ২:৩০