২১শে নভেম্বর, ২০১৮ ইং | ৭ই অগ্রহায়ণ, ১৪২৫ বঙ্গাব্দ | ভোর ৫:৪৭

ঝালকাঠির রাজাপুরে প্রধান পলাতক আসামী শিক্ষকের নিয়মিত হাজিরার স্বাক্ষর

 

ঝালকাঠি সংবাদদাতা:ঝালকাঠির রাজাপুরের নিজ গালুয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৪র্থ শ্রেণির ছাত্র রাকিব হোসেন হত্যা মামলার প্রধান আসামি জালাল শাহী ইসলামিয়া দাখিল মাদ্রাসার বাংলা সহকারি শিক্ষক মীর নুরুল ইসলাম দীর্ঘদিন পলাতক ও মাদ্রাসায় অনুপস্থিত থেকেও অলৌকিভাবে উপস্থিতিথির খাতায় স্বাক্ষর দিয়ে নিয়মিত বেতন উত্তোলন করছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

আর এ অবৈধ জালিয়াতিতে সহযোগীতা করছেন খোদ মাদ্রাসার সুপার মাওলানা হারুনুর রশিদ। তার অনুপস্থিতিতে সুপার নিজেই নিয়মনীতির তোয়াক্কা না করে নিয়মিত হাজিরা টেনে নিচ্ছেন। যদিও সুপার এ অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।

এ ঘটনায় নিহত রাকিবের বাবা বাবুল হাওলাদার ইউএনও আফরোজা বেগম পারুলের তাছে লিখিত অভিযোগ দিলে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তাকে তদন্তপূর্বক ব্যবস্থা গ্রহেনের নির্দেশ দিলেও এখনও কার্যত কোন ব্যবস্থা গ্রহন করা হয়নি।

অভিযোগে করা হয়, রাকিব হত্যা মামলার প্রধান আসামী মাদ্রাসা শিক্ষক নিজ গালুয়া গ্রামের মৃত মীর আহম্মেদ আলীর ছেলে মীর নুরুল ইসলাম আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর চোখে পলাতক রয়েছে, বাস্তবে অনুপস্থিতি থাকলেও সুপারের সহযোগিতায় তার হাজিরা খাতা নিয়মিত হাজিরা স্বাক্ষর দেয়া হচ্ছে এবং নিয়মিত বেতনও উত্তোলন করে নিচ্ছে।

রাকিবের বাবা বাবুল হাওলাদারের অভিযোগ, তার ছেলেকে হত্যা করার পর থেকেই এখন পর্যন্ত প্রধান হত্যাকারী মীর নুরুল ইসলামকে পুলিশ গ্রেফতার করেনি। অপরদিকে মাদ্রাসায় না না গিয়েও খাতায় অলৌকিকভাবে নিয়মিত হাজিরা স্বাক্ষর দিয়ে বেতন উত্তোলন করছে, সুপারের সহায়তায়। অভিযুক্ত মীর নুরুল ইসলামের মতামত পাওয়া যায় নি।

তবে মাদ্রাসার সুপার মাও. হারুনুর রশিদ অভিযোগ অস্বীকার করে দাবি করেন, ‘ঘটনার পর থেকে গত অক্টোবর মাসের ২৫ তারিখ পর্যন্ত পালিয়ে মাদরাসায় উপস্থিত হন। ২৬ তারিখের ৪দিনের ছুটি নিয়ে সেই থেকে এখন পর্যন্ত অনুপস্থিত রয়েছেন। পরে ম্যানেজিং কমিটির সাথে আলাপ করে এক সপ্তাহের মধ্যে জবাব চেয়ে তাকে শোকজ করেছি কিন্তু তারও কোন জবাব দেয়নি। আগামি রোবাবার ম্যানেজিং কমিটির মিটিং ডেকে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা ফারহানা ইয়াসমিন লিজা জানান, অভিযোগ পেয়ে তদন্তে গিয়ে তাকে না পেয়ে সুপারকে নিয়ম অনুযায়ী পরপর তিনটি শোকজ করে বলা হয়েছিল। জবাব না পেলে ওই শিক্ষকের বেতন কর্তন করা হবে’। এ বছরের ১৪ ই জুলাই ৪৬ নং নিজ গালুয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৪র্থ শ্রেনির ছাত্র শিশু রাকিব হাওলাদারকে হত্যা করা হয়। পরে রাকিবের বাবা বাবুল হাওলাদার বাদী হয়ে চার জনের নাম উল্লেখ ও তিনজনকে অজ্ঞাত করে রাজাপুর থানায় হত্যা ধারায় মামলা দায়ের করেন।রাজাপুরে প্রধান পলাতক আসামী মাদ্রাসা শিক্ষকের নিয়মিত হাজিরার স্বাক্ষর, উত্তোলন করছে বেতন

ঝালকাঠির রাজাপুরের নিজ গালুয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৪র্থ শ্রেণির ছাত্র রাকিব হোসেন হত্যা মামলার প্রধান আসামি জালাল শাহী ইসলামিয়া দাখিল মাদ্রাসার বাংলা সহকারি শিক্ষক মীর নুরুল ইসলাম দীর্ঘদিন পলাতক ও মাদ্রাসায় অনুপস্থিত থেকেও অলৌকিভাবে উপস্থিতিথির খাতায় স্বাক্ষর দিয়ে নিয়মিত বেতন উত্তোলন করছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

আর এ অবৈধ জালিয়াতিতে সহযোগীতা করছেন খোদ মাদ্রাসার সুপার মাওলানা হারুনুর রশিদ। তার অনুপস্থিতিতে সুপার নিজেই নিয়মনীতির তোয়াক্কা না করে নিয়মিত হাজিরা টেনে নিচ্ছেন। যদিও সুপার এ অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।

এ ঘটনায় নিহত রাকিবের বাবা বাবুল হাওলাদার ইউএনও আফরোজা বেগম পারুলের তাছে লিখিত অভিযোগ দিলে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তাকে তদন্তপূর্বক ব্যবস্থা গ্রহেনের নির্দেশ দিলেও এখনও কার্যত কোন ব্যবস্থা গ্রহন করা হয়নি।

অভিযোগে করা হয়, রাকিব হত্যা মামলার প্রধান আসামী মাদ্রাসা শিক্ষক নিজ গালুয়া গ্রামের মৃত মীর আহম্মেদ আলীর ছেলে মীর নুরুল ইসলাম আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর চোখে পলাতক রয়েছে, বাস্তবে অনুপস্থিতি থাকলেও সুপারের সহযোগিতায় তার হাজিরা খাতা নিয়মিত হাজিরা স্বাক্ষর দেয়া হচ্ছে এবং নিয়মিত বেতনও উত্তোলন করে নিচ্ছে।

রাকিবের বাবা বাবুল হাওলাদারের অভিযোগ, তার ছেলেকে হত্যা করার পর থেকেই এখন পর্যন্ত প্রধান হত্যাকারী মীর নুরুল ইসলামকে পুলিশ গ্রেফতার করেনি। অপরদিকে মাদ্রাসায় না না গিয়েও খাতায় অলৌকিকভাবে নিয়মিত হাজিরা স্বাক্ষর দিয়ে বেতন উত্তোলন করছে, সুপারের সহায়তায়। অভিযুক্ত মীর নুরুল ইসলামের মতামত পাওয়া যায় নি।

তবে মাদ্রাসার সুপার মাও. হারুনুর রশিদ অভিযোগ অস্বীকার করে দাবি করেন, ‘ঘটনার পর থেকে গত অক্টোবর মাসের ২৫ তারিখ পর্যন্ত পালিয়ে মাদরাসায় উপস্থিত হন। ২৬ তারিখের ৪দিনের ছুটি নিয়ে সেই থেকে এখন পর্যন্ত অনুপস্থিত রয়েছেন। পরে ম্যানেজিং কমিটির সাথে আলাপ করে এক সপ্তাহের মধ্যে জবাব চেয়ে তাকে শোকজ করেছি কিন্তু তারও কোন জবাব দেয়নি। আগামি রোবাবার ম্যানেজিং কমিটির মিটিং ডেকে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা ফারহানা ইয়াসমিন লিজা জানান, অভিযোগ পেয়ে তদন্তে গিয়ে তাকে না পেয়ে সুপারকে নিয়ম অনুযায়ী পরপর তিনটি শোকজ করে বলা হয়েছিল। জবাব না পেলে ওই শিক্ষকের বেতন কর্তন করা হবে’। এ বছরের ১৪ ই জুলাই ৪৬ নং নিজ গালুয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৪র্থ শ্রেনির ছাত্র শিশু রাকিব হাওলাদারকে হত্যা করা হয়। পরে রাকিবের বাবা বাবুল হাওলাদার বাদী হয়ে চার জনের নাম উল্লেখ ও তিনজনকে অজ্ঞাত করে রাজাপুর থানায় হত্যা ধারায় মামলা দায়ের করেন।

 

কিউএনবি /রিয়াদ/১৬ই নভেম্বর, ২০১৭ ইং /বিকাল ৪:৫৪