১৮ই নভেম্বর, ২০১৭ ইং | ৪ঠা অগ্রহায়ণ, ১৪২৪ বঙ্গাব্দ | রাত ১:১৭
Home / Main Slider / প্রধান বিচারপতিকে নিয়ে ভারতীয় গণমাধ্যমে মিথ্যাচার

প্রধান বিচারপতিকে নিয়ে ভারতীয় গণমাধ্যমে মিথ্যাচার

 

টিভি চিত্র

 

আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ  বাংলাদেশের প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার (এস কে) সিনহার ছুটি নিয়ে অদ্ভুত খবর প্রচার করেছে ভারতীয় গণমাধ্যম জি নিউজ। টেলিভিশন চ্যানেলটির খবরে বলা হয়েছে, ‘যদি কোনো দেশের চিফ জাস্টিস হারিয়ে যায়, অপহরণ হয়, অথবা তাকে জোর করে ছুটিতে পাঠানো হয়। তাহলে এটা কোনো ছোট খাটো খবর না। এটা অনেক সিরিয়াসলি নেওয়া উচিত।’

খবরে বলা হয়েছে, বাংলাদেশের চিফ জাস্টিস সুরেন্দ্র কুমার সিনহা প্রায় ৩০ দিন ধরে লাপাত্তা হয়ে আছেন। কেউ তার ব্যাপারে কিছু জানেন না। এমনটা বলা হচ্ছে, তাকে হিন্দু হওয়ার সাজা দেওয়া হচ্ছে বা তিনি হিন্দু হওয়ার সাজা পাচ্ছেন।  কেন না বাংলাদেশে একজন হিন্দুর জীবনযাপন খুব সমস্যাপূর্ণ হয়ে থাকে।’

গণমাধ্যমটি বলেছে, বাংলাদেশে রোহিঙ্গা ইস্যু নিয়ে অতিরঞ্জিত খবর প্রচার করা মিডিয়াগুলো এই বিষয়টি নিয়ে একদম চুপ আছে। এজন্য আমরা এই খবরটি দুনিয়ার সামনে নিয়ে আসার জন্য সিদ্ধান্ত নিয়েছি। জি নিউজ সব সময় সকল ধর্মের মানুষের কথা বলে থাকে। জি নিউজ আগেও অনেকবার বাংলাদেশের হিন্দুদের প্রতি অত্যাচারের কথা আপনাদের জানিয়েছে। এরা সেই অত্যাচারিত জাতিগোষ্ঠী, যাদের ব্যাপারে কথা বলার মতো দুনিয়াতে কেউ নেই।

বলা হয়ে থাকে সরকারের বিরুদ্ধে একটি ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত (রায়) শোনার পর তাকে জোরপূর্বক ছুটিতে পাঠানো হয়েছে। কিন্তু জাস্টিস সিনহা এমন কী রায় দিয়েছেন যার জন্য তাকে জোর করে ছুটিতে পাঠানো হয়েছে, সেটা আপনাদের পরে জানাব।

তার আগে আপনাদের তার ব্যপারে আরো কিছু বিষয় জানাচ্ছি, আমরা বংলাদেশে অনেকের সাথে জাস্টিস সিনহার ব্যাপারে খোঁজখবর নেওয়ার চেষ্টা করেছি, কিন্তু কেউ এই ব্যাপারে কিছু বলতে পারেনি।

এমনকি অনেকে এমনও বলেছে যে, তিনি দেশ ছেড়ে চলে গেছেন। অনেকে এমনও বলেছে যে, তিনি এখন অস্ট্রেলিয়ায় আছেন। খোঁজ নিতে গিয়ে আমরা এও জানতে পারি যে, তার নিজের এক আত্মীয় যে কিনা সুপ্রিম কোটের জাজ, তিনি নিজেই সিনহার সাথে সাক্ষাৎ করেছিলেন এবং সেই সাক্ষাৎ ছিল করা নজরদারির মাঝে।

তিনি এমনও বলেছেন যে, সিনহাকে তার প্রতিবাদের জন্যই নজরবন্দি করে রাখা হয়েছে।

 

কিউএনবি/তানভীর/১৩ই অক্টোবর,২০১৭ ইং/বিকাল ৫:৩৭

↓↓↓ফেসবুক শেয়ার করুন
Ads Here