১৩ই ডিসেম্বর, ২০১৭ ইং | ২৯শে অগ্রহায়ণ, ১৪২৪ বঙ্গাব্দ | দুপুর ১:২৫
Home / অর্থপাতা / বিআইবিএমের গবেষণা : ব্যাংকের সংখ্যা কমানো উচিত

বিআইবিএমের গবেষণা : ব্যাংকের সংখ্যা কমানো উচিত

ডেস্কনিউজঃ  বাংলাদেশে বর্তমানে ৫৭টি তফসিলি ব্যাংক রয়েছে। অতফসিলি ব্যাংক রয়েছে আরও কয়েকটি। এই সংখ্যা অনেক বেশি, তা কমাতে হবে বলে মনে করেন ৭২ শতাংশ ব্যাংক কর্মকর্তা। মাত্র ১১ শতাংশ কর্মকর্তা মনে করেন ব্যাংকের সংখ্যা ঠিক আছে। আর ১৭ শতাংশ ব্যাংকার কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি। বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ব্যাংক ম্যানেজমেন্টের (বিআইবিএম) এক গবেষণা প্রতিবেদনে এ তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার রাজধানীর মিরপুরে বিআইবিএম অডিটোরিয়ামে এক্সপ্লোরিং মার্জার অ্যান্ড অ্যাকুইজিশন ইন দ্য কনটেক্স অব দ্য ব্যাংকিং সেক্টর অব বাংলাদেশ শীর্ষক কর্মশালায় এ প্রতিবেদন উপস্থাপন করা হয়।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বিআইবিএমের মহাপরিচালক ড. তৌফিক আহমদ চৌধূরী। কর্মশালায় প্রতিবেদন উপস্থাপন করেন বিআইবিএমের অধ্যাপক এবং পরিচালক মো. মহিউদ্দিন সিদ্দিকের নেতৃত্বে চার সদস্যেও প্রতিনিধিদল।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে,  ব্যাংক মার্জারের ক্ষেত্রে যে সকল চ্যালেঞ্জ রয়েছে তার মধ্যে অন্যতম হলো- সুশাসনের অভাব, বোর্ডের গোপন সুবিধা, রাজনৈতিক দুর্বলতা, মানসিকতার পরিবর্তন, পরিচালকদের দুর্বলতা, নেতৃত্ব এবং কৌশলগত চ্যালেঞ্জ।

বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নর এস কে সুর চৌধুরী বলেন, উন্নত এবং উন্নয়নশীল দেশে মার্জারের ঘটনা ঘটেছে। বাংলাদেশে এ ধারণা কিছুটা নতুন। তবে মার্জারের জন্য যেকোনো সময় আমরা প্রস্তুত আছি। এ বিষয়ে আমরা একটা গাইডলাইন করেছি।
বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক ডেপুটি গভর্নর খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদ বলেন, বিদেশে ব্যাপক হারে মার্জার হচ্ছে। সেখানকার প্রতিষ্ঠানগুলো আরও বড় হওয়ার জন্য মার্জার করে থাকে। তবে আমাদের দেশে ছোট ব্যাংকগুলোর ধারণা বড়দের সঙ্গে মার্জার হলে বড়রা তাদের খেয়ে ফেলবে। বিডিবিএলেরর ক্ষেত্রে যেটা হয়েছে, সেটা হলো দুটো খারাপ প্রতিষ্ঠান মিলে নতুন একটি খারাপ প্রতিষ্ঠানের জন্ম দিয়েছে।

বিআইবিএমের সুপারনিউমারারি অধ্যাপক হেলাল আহমদ চৌধুরী বলেন, মার্জার সবসময় খারাপ হয়না। এর ইতিবাচক দিকগুলো দেখতে হবে। আমাদেরকে গ্লোবালাইজেশনের অংশ হতে হলে মার্জারে যেতে হবে।

বিআইবিএমের সুপারনিউমারারি অধ্যাপক এবং বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক নির্বাহী পরিচালক ইয়াছিন আলি বলেন, সরকার রাষ্ট্রায়ত্ত্ব ব্যাংকগুলো চালাতে না পারে তাহলে এগুলো প্রাইভেট সেক্টরে ছেড়ে দেওয়া উচিত। সরকারের সদ ইচ্ছা থাকলে আর্থিক খাতের ৮০ শতাংশ সমস্যা সমাধান সম্ভব।

 

 

কিউএনবি/তানভীর/১২ই অক্টোবর,২০১৭ ইং/রাত ৯:৪৯

Related posts: