২২শে সেপ্টেম্বর, ২০১৮ ইং | ৭ই আশ্বিন, ১৪২৫ বঙ্গাব্দ | রাত ৯:০৬

প্রধানমন্ত্রীর নোবেল নিয়ে মন্তব্য, যুবকের বিরদ্ধে ৫৭ ধারায় মামলা

 

ডেস্কনিউজঃ  নোবেল পুরস্কার পাওয়ার বিষয়টি জড়িয়ে প্রধানমন্ত্রীকে কটূক্তি করে ফেসবুকে স্ট্যাটাস দেয়ায় কক্সবাজার সদর উপজেলার চৌফলদন্ডি ইউনিয়নের এসএম ছৈয়দুল করিম নামে এক যুবকের বিরুদ্ধে তথ্য প্রযুক্তি আইনে মামলা হয়েছে।

গতকাল মঙ্গলবার কক্সবাজার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত-৪ এ মামলা করা হয়। মামলাটি আমলে নিয়ে তা সদর থানাকে তদন্ত করার নির্দেশ দিয়েছে বিচারক তামান্না ফারাহ। এসএম ছৈয়দুল করিম চৌফলদন্ডী দক্ষিণ মাইজ পাড়া ৫ নং ওয়ার্ড এলাকার বাসিন্দা ছলিম উল্লাহর ছেলে।

মামলার বাদী কক্সবাজার সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মাহমুদুল করিম মাদু জানান, এসএম ছৈয়দুল করিম দীর্ঘদিন ধরে তার ফেসবুক আইডিতে প্রধানমন্ত্রীকে উল্লেখ করে কটূক্তিমূলক আপত্তিকর মন্তব্য সম্বলিত স্ট্যাটাস দিয়ে আসছিলেন।

এর ধারাবাহিতায় গত ৬ অক্টোবর সকাল ৯টা ২৬ মিনিটে প্রধানমন্ত্রীর নোবেল পুরস্কার পাওয়া-না পাওয়া সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে বাজে মন্তব্য করেন ছৈয়দুল করিম।

তিনি মন্তব্য করেন, ‘আমি আজ রোহিঙ্গাদের মাঝে ত্রাণ বিতরণ করেছি তার জন্য শান্তির নোবেল পুরস্কার আজ আমার নামে ঘোষণা করা হবে’।

এছাড়া ২৮ সেপ্টেম্বর রাত ১০টা ৪২ মিনিটে ডিজিটাল উন্নয়নের নমুনাশীর্ষক একটি তালিকা দিয়ে শিরোনাম দেন, ‘ঘুমাও জাতি ঘুমাও, ঘুম থেকে উঠে দেখবে জয় হিন্দু হয়ে গেছে।’

আবার গত ৭ অক্টোবর অভিনেতা নোবেলের একটি ব্যাঙ্গাত্মক ছবি দিয়ে শিরোনাম দেন, ‘নোবেল আমি পাওয়ার কথা ছিল, পাই নাই তার জন্য আমি কাইন্দা দিমু, কারণ যারা নোবেল পাইনাই তারাই জানে–না পাওয়ার যন্ত্রণা কি।

এছাড়া ছৈয়দুল করিম আরও আপত্তিকর বক্তব্য দিয়ে স্ট্যাটাস দেন। একই দিন তার স্ট্যাটাসে মাদার অফ হিউমিনিটিকে কটাক্ষ করে মাদার অফ ইনহিউম্যানিটি আখ্যা করা হয়েছে।

পাশাপাশি গণতন্ত্রের মানসকন্যাকে কটাক্ষ করে প্রাইম মিনিস্টার ইজ এ কিলার অফ ডেমোক্রেসি ব্যাখ্যা করেছে। এতে প্রধানমন্ত্রীর সুনাম ক্ষুণ্ন হয়েছে এছাড়া সাধারণ জনগণ ও নেতাকর্মীদের মাঝে চরম ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।

রাষ্ট্রের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্নসহ আইন-শৃঙ্খলা অবনতি হওয়ার সম্ভবনা আছে তাই তার বিরুদ্ধে সব ফেসবুক স্ট্যাটাসের স্কিন শর্টসহ ১০ অক্টোবর কক্সবাজারের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মামলা করলে বিচারক তামান্না ফারাহ মামলাটি আমলে নিয়ে কক্সবাজার সদর থানাকে তদন্ত করার নির্দেশ দেন।

বিষয়টি নিশ্চিত করে কক্সবাজার সদর থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রনজিত কুমার বড়ুয়া বলেন, মামলার কপিটি হাতে পেয়েছি। তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

 

কিউএনবি/তানভীর /১১ই অক্টোবর, ২০১৭ ইং/ দুপুর ১২:৩৩