১৮ই সেপ্টেম্বর, ২০১৮ ইং | ৩রা আশ্বিন, ১৪২৫ বঙ্গাব্দ | রাত ৯:৪২

শেরপুরে বন্যার অবনতি, আরও ৭৭ গ্রাম প্লাবিত

 

 

ডেস্কনিউজঃ পুরাতন ব্রহ্মপুত্র নদ, দশা ও মৃগী নদীর পানিবৃদ্ধির ফলে শেরপুরে বন্যা পরিস্থিতির আরো অবনতি ঘটেছে। শুক্রবার দুপুর পর্যন্ত শেরপুর ফেরিঘাট পয়েন্টে বন্যার পানি গত ২৪ ঘণ্টায় আরো ১৩ সেন্টিমিটার বেড়েছে। এতে নতুন নতুন এলাকা প্লাবিত হচ্ছে।

বন্যায় জেলার তিন উপজেলার ১৪ ইউনিয়নের ৭৭ গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। এর মধ্যে শেরপুর সদরের আট ইউনিয়নের ৩০টি, শ্রীবরদীর দুই  ইউনিয়নের ৩৫টি এবং নকলার চার ইউনিয়নের ১২টি গ্রাম প্লাবিত হয়েছে বলে উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে। এতে প্রায় ৪০ হাজার লোক পানিবন্দি অবস্থায় রয়েছে। সদর উপজেলার চরপক্ষিমারি ইউনিয়নের কুলুরচর বেপারীপাড়া গ্রামের ঘরবাড়িহারা ৩০০ পরিবার স্থানীয় প্রাথমিক বিদ্যালয় ও উঁচু স্থানে আশ্রয় নিয়েছে।

এদিকে, গত পাঁচ দিন ধরে সরকারি কোনও ত্রাণ না পেয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছে পানিবন্দি মানুষ। তারা সেখানে মানবেতর অবস্থায় অবস্থান করলেও সরকারি কোনও ত্রাণ সহায়তা কিংবা প্রশাসনের কেউ তাদের দেখতে যায়নি বলে স্থানীয় ইউপি মেম্বার মো. জাফর আহমেদ অভিযোগ করেন। তবে স্থানীয় মশগুল মিয়া নামের এক ব্যবসায়ী এক কেজি করে চিড়া বিতরণ করেছেন বলেও তিনি জানান।

অপরদিকে, বলাইরচর ইউনিয়নে দশানি নদীর ভাঙনে প্রায় ২০০ ফুট বাঁধ ভেঙে অর্ধশতাধিক ঘরবাড়ি ও ফসলের ক্ষেত বন্যার পানিতে তলিয়ে গেছে।

ওই ওয়ার্ডের ইউপি মেম্বার সারোয়ার জাহান নাসির বলেন, “বৃহস্পতিবার রাতে বন্যার পানি প্রবল বেগে এলাকায় প্রবেশ করে দশানি নদীর বাঁধটি ভেঙে যায়। এতে বিস্তীর্ণ এলাকা বন্যাকবলিত হয়ে পড়েছে। “

 

কিউএনবি/বিপুল/১৯ই আগস্ট, ২০১৭ ইং/রাত ১২:০৪