২৫শে সেপ্টেম্বর, ২০১৮ ইং | ১০ই আশ্বিন, ১৪২৫ বঙ্গাব্দ | সকাল ৯:১৮

গাজীপুর সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে জনমতে এগিয়ে –আলহাজ এ্যড.মোঃ জাহাঙ্গীর আলম

 

 

 

এম এ আজিজ গাজীপুর প্রতিনিধি : আগামী বছরের ফেব্রুয়ারী থেকে যে কোন সময় ৪ সিটি কর্পোরেশন নির্বাচন ঘোষনা দিয়েছে সিইসি। এতে বড় দুই দলের প্রার্থী সরব থাকবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

গাজীপুরেও এর ব্যত্তিক্রম নয়,এরই মধ্যে বাংলাদেশ আ’লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনা গত ২০ শে মে বর্ধিত সভায় আনুষ্ঠানিক ভাবে নির্বাচনী প্রচারনা শুরু করেছে। যদিও তিনি এর আগেই বিভিন্ন জেলায় সফর কালে নৌকায় ভোট দেওয়ার জন্য ভোটাদের আহবান জানান। বর্তমানে আওয়ামীলীগের রাজনীতির ময়দানে গাজীপুরকে দ্বিতীয় গোপালগঞ্জ হিসেবে ঘোষনা দিয়েছেন শেখ হাসিনা।

কোন্দল আর ব্যাক্তি প্রভাব কিছুটা থাকলেও সিটি নির্বাচন ও জাতীয় নির্বাচনের আগে নিরসন করা সম্ভব বলে মনে করছেন আ’লীগের একাধিক নেতা। এই ক্ষেত্রে তরুন রাজনিতিবিদদের এগিয়ে রাখছেন তারা।

সব কিছু মিলিয়ে সিটি ও জাতীয় নির্বাচনে তরুনদের নেতৃত্ব বেশির ভাগ থাকবে বলে আ’লীগের হাই কমান্ড থেকে জানা গেছে।আরও জানা গেছে যাদের তৃনমূলে গ্রহন যোগ্যতা,কর্মী বান্ধব,নেতাকর্মীদের মুল্যায়ন তাদেরকে প্রাধান্য দেয়া হবে।

সম্পতি গাজীপুরে জাহাঙ্গীর আলম শিক্ষা ফাউন্ডেশনে দলের সাধারন সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন, জনগনের কাছে যার গ্রহন যোগ্যতা যত বেশি,আমার নেত্রীর কাছে তার গ্রহন যোগ্যতা তত বেশি।

গাজীপুরে আগামী সিটি নির্বাচনকে কেন্দ্র করে আ’লীগের একাধিক প্রার্থী থাকবে বলে সুত্র বলছে,এই দিক দিয়ে মহানগর আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক গত সিটি নির্বাচনের আলোচনার কেন্দ্র বিন্দুু আলহাজ্ব এ্যাড.মোঃ জাহাঙ্গীর আলম এগিয়ে আছেন বলেও সুত্র বলছে। তৃনমুলে তার গ্রহন যোগ্যতা অপরিসীম, সাধারন মানুষ থেকে শুরু করে সকল দলের কাছে তিনি জাহাঙ্গীর আলম বলে পরিচিত।

ইতিমধ্যে দলের সর্বস্তরের নেতাকর্মীদের মাঝে ব্যাপক আলোচনায় জাহাঙ্গীর আলম,তরুন সমাজের প্রচন্ড অহংকার,যুব সমাজের নয়নের মনি এই নেতা ,আ’লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনার কাছে তিনি পরিচিত এক মুখ।

তার রাজনিতির ক্যারিয়ার গাজীপুর চান্দনা স্কুল এন্ড কলেজ ক্লাশ ক্যাপ্টেন ছিলেন ,গাজীপুরের সর্বউচ্চবিদ্যাপিঠ ভাওয়াল বদরে আলম সরকারী বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ ছাত্র সংসদের সাধারন ছাত্র/ছাত্রীদের মনোনীত ভিপি নির্বাচন করেছিলেন দলীয় সিন্ধান্তকে প্রধান্য দিয়ে নিজের ক্যারিয়ারকে জলাঞ্জলি দিয়ে তিনি থেমে থাকেন নি।

পরবর্তী সময়ে বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সহ সভাপতি পদটি তখন তার দখলে। শুরু হয় সামনের দিকে এগিয়ে যাওয়া, ছাত্রলীগের পদটি তার জীবনে আ’লীগের রাজনিতির পথটি যেন সূর্গম করে দেয়।

তখন থেকেই তার চারপাশে বন্ধু বান্ধব গুলো যেন ছাত্রলীগের পতাকাতলে এসে তার জীবনের পাড়িকে সহজ থেকে সহজতর করে দেয়। এক এক করে ছাত্র সমাজটাকে যেন এক সময় যুব সমাজে পরিনত করে উপজেলা পরিষদে নির্বাচন করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। বহু বাধা বিগ্ন পেড়িরে আ’লীগ থেকে ভাইস চেয়ারম্যান মনোনয়ন পেয়ে বিপূল ভোটের ব্যবধানে টংগী ও গাজীপুর সদর উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন।

অথচ তখনকার দিনে অনেক নেতারাই ভাইস চেয়ারম্যান পদটিকে মুল্যয়ান করেন নি। অবশ্যই তারা জানতো না যে, পরবর্তী সময়ে সারা বাংলাদেশের ভাইস চেয়ারম্যান সমন্বয় পরিষদের সভাপতি তিনিই হবেন। সেই থেকে আ’লীগের পদ পদবীর ঊদ্ধে থেকে নেতাকর্মীদেরকে মূল্যায়ন করতে চেষ্টা করেন,আস্তে আস্তে আ’লীগের হাই কমান্ডে তার পরিচিতির বিস্তার লাভ করতে থাকে এক সময় হয়ে ওঠেন বঙ্গবন্ধুর কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনার আস্থাভাজন।

শেখ হাসিনা সিটি কর্পোরেশন ঘোষনা দেওয়ার আগে গাজীপুরকে ১শ ভাগে বিভক্ত করে গাজীপুর সিটি কর্পোরেশন বাস্তবায়ন আহবায়ক কমিটি গঠন করেন আহবায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন জাহাঙ্গীর আলম। পরবর্তী সময়ে দলের হাই কমান্ড থেকে নির্দেশ পেয়ে ২০১৩ সালে মেয়র প্রার্থী হন তিনি, সেখানেও জননেত্রী শেখ হাসিনার উপর আস্থা আর বিশ্বাস রেখে সেই নির্বাচন থেকে সরে দাড়িয়ে আ’লীগের প্রার্থীর পক্ষে কাজ করেন।

পারিবারিক ভাবে শেখ হাসিনার সাথে ৩০ মিনিট কথা হয় জাহাঙ্গীর আলম এর মায়ের সাথে,মায়ের কাছে ওয়াদা দিয়ে জাহাঙ্গীর আলমকে কাছে টেনে নিয়ে গাজীপুর মহানগর আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক হিসেবে দায়িত্বভার অর্পন করেন। সেই থেকে গাজীপুরের আ’লীগের জোয়ার দিন দিন ভারতে থাকে অবশেষে পুর্নাঙ্গ কমিটি নিয়ে দলকে সামনে দিকে নেতৃত্ব দিয়ে আসছেন তিনি।

১ নং ওয়ার্ড থেকে ৫৭ নং ওয়ার্ড পর্যন্ত আওয়ামীলীগের নেতাকর্মীদেরকে ঐক্যবন্ধ করার জন্য একটি প্লাটফর্মে নিয়ে ওয়ার্ড কমিটির জন্য ২০/৩০ টি সিভির মাধ্যমে নেতাদেরকে মুল্যায়ন করা হয়। নেতাকর্মীরা আশা করছেন শীঘ্রই ওয়ার্ড কমিটি ঘোষনা দিবেন এবং তৃণমূল নেতাদের মুল্যায়ন করা হবে।

এদিকে সবার মনে ধারনা জম্মে থাকে এবার জাহাঙ্গীর আলম হাই কমান্ড থেকে নৌকার প্রতীক মনোনয়ন এনে নগর বাসীর সেবা করবেন, এবং নগর বাসী উৎসব মুখর পরিবেশে তাদের প্রিয় প্রার্থী মোঃ জাহাঙ্গীর আলমকে ভোট দিয়ে নির্বাচিত করে জননেত্রীর কাছে উপহার দিবেন। রাস্তা ঘাটে সর্বস্তরে জাহাঙ্গীর আলমের নাম দিন দিন বাড়তে থাকে,সাধারন মানুষ তার বাসা থেকে খালি হাতে ফিরেনি বলে একটি সুত্র জানিয়েছে,সুত্রটি আরও বলছে, গরীব দুখী,লেখা পড়ার খরচ,মসজিদ মাদ্রাসা,এতিম খানা,প্রতিবন্ধী,গরীব অসহায় মেয়েদের বিবাহ সহ সব কিছুতে তার ভুমিকা অপরিসীম।

দলের অনেক নেতাই বলছে, জাহাঙ্গীর আলম দলের দায়িত্ব পাওয়ার আগে যেমনি গরীব সমাজের উপর জাপিয়ে পড়েছিলেন তেমনি এখনও তার ধারাবাহিকতা দিন দিন বেড়েই চলেছে।গাজীপুর মহানগর আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি বীরমুক্তিযোদ্ধা আব্দুর রইফ নয়ন বলেছেন,আগামী সিটি নির্বাচনে নৌকার প্রার্থী যে হবেন আমরা তার পক্ষে কাজ করব,তবে এ ব্যাপারে মোঃ জাহাঙ্গীর আলম অনেকটা এগিয়ে। কারন তৃণমূলে তার গ্রহন যোগ্যতা অনেক এবং সে তরুন হিসেবে যে মেধা আছে সেটা কাজে লাগানো এখনই সময়।

সিনিয়র যুগ্ন সাধারন সম্পাদক মোঃ আতাউল্লাহ মন্ডল বলেন,আমার রাজনৈতিক ক্যারিয়ার প্রায় ৪০ বছরের উপরে এই বয়সে অনেক নেতা দেখার সৌভাগ্য আমার হয়েছে,তবে জাহাঙ্গীর আলমের মত তরূন উদিয়মান নেতা আমার দৃষ্টিতে পড়ে নাই,তার ভবিষৎ অনেক উজ্ঝল নৌকার প্রতীক পেলে বিপূল ভোটের ব্যবধানে পাশ করবে।

গাজীপুর জেলা পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান ও নগর আ’লীগের যুগ্ন সাধারন সম্পাদক এস এম মোকছেদ আলম জানিয়েছেন,ভিন্ন কথা আগামী সিটি নির্বাচনে দেশ রত্ন শেখ হাসিনা তিন তিন বারের প্রধান মন্ত্রী বঙ্গবন্ধু কন্যা মোঃ জাহাঙ্গীর আলমকে নৌকার প্রতীক মনোনয়ন দিবেন এবং বিপূল ভোটের ব্যবধানে পাশ করবে। তিনি আরও জানিয়েছেন, আমি নগরের প্রত্যেক ওয়ার্ডে নেতাকর্মীদের কাছে গিয়েছি এবং দেখেছি তারা একবাক্যে জাহাঙ্গীর আলম কে মেয়র হিসেবে চায়।

নগরের ১ নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগ নেতা এম এ হালিম বলেন,জাহাঙ্গীর আলম উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান ছিলেন তাই তার অভিজ্ঞতা বেশি,মেয়র প্রার্থী হলে সে পাশ করবে,১২ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর মোঃ আব্বাসউদ্দিন খোকন বলেন,জাহাঙ্গীর আলম ভাইয়ের গ্রহন যোগ্যতা সাধারন মানুষের কাছে অনেক,মেয়র প্রার্থী হলে বিপুল ভোটের ব্যবধানে পাশ করবে। ৫৭ নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের এক প্রবীণ নেতা নাম প্রকাশ না করার শর্তে -জাহাঙ্গীর আলম গাজীপুরের জন্য মেয়র হিসেবে যোগ্য,তার বিকল্প নেই।

৫৫ নং ওয়ার্ড আ’লীগ নেতা মোঃ আব্দুল আলিম বলেন-জাহাঙ্গীর আলম ভাইয়ের নেতৃত্বে আমরা আছি,আসা করি নৌকার মনোনয়ন তারই হবে। সাবেক বাসন ইউনিয়নের বিএনপি মনোনীত কাউন্সিলর নাম প্রকাশ না করার শর্তে -বলেন মান্নান স্যার বিএনপি থেকে মনোনয়ন পাবেন,আ’লীগ মনোনয়ন দিতে ভুল করলে গত ভাবের চেয়ে ব্যবধান হবে আরও ভয়াবহ।

জাহাঙ্গীর আলম নৌকা থেকে মনোনয়ন পেলে মান্নান স্যারের সাথে ভালো প্রতিদন্ধী হবে। এই ব্যাপারে মোঃ জাহাঙ্গীর আলম এর সাথে আলাপ কালে,তিনি জানিয়েছেন-আমি দেশ রত্ন শেখ হাসিনা কে ধন্যবাদ জানাই তিনি আমাদেরকে সিটি উপহার দিয়েছেন,আমরা তার মর্যাদা রাখতে পারি নাই,যে প্রত্যাশা নিয়ে নগর হয়েছে তা বাস্তবায়িত হয়নি,যদি কখনও সুযোগ আসে আমি নগর বাসিদের নাগরিক সেবা দিয়ে যাবো।

মনোনয়ন ব্যাপারে তিনি বলেন, জননেত্রী শেখ হাসিনা গাজীপুর সিটির জন্য আগামী নির্বাচনে যাকে মনোনয়ন দিবেন আমি তার পক্ষে কাজ করব,যেহুতু আমি নগরের সাধারন সম্পাদক সে হিসেবে আমার উপর অনেক দায়িত্ব। তৃণমূলে গ্রহন যোগ্যতার ব্যাপারে তিনি জানিয়েছেন, আমি দীর্ঘ দিন জনপ্রতিনিধিত্ব করে এসেছি,আমি দেখেছি কিভাবে সাধারন মানুষের মন জয় করা যায়,তারা টাকা পয়সা চায় না শুধু ব্যবহার চায় ,আমি দেওয়ার চেষ্ঠা করেছি।

আগামী সিটি নির্বাচনে আপনি মেয়র প্রার্থী – আসলে কথাটা মিথ্যে নয়,বিগত দিনে পদপদবী ছাড়াই মানুষের সেবা করে এসেছি,আগামীতে সাধারন মানুষের দোয়া ও ভালোবাসা থাকলে এবং দলের হাই কমান্ড থেকে নির্দেশনা পেলে জনগনের সেবা আরও বাড়িয়ে দিব। গাজীপুর মহানগর বাসীর জন্য আমার শ্লোগান থাকবে ছিলাম,আছি ,থাকব-জয়বাংলা জয় বঙ্গবন্ধু—-

কিউএনবি/রেশমা/৮ই জুলাই, ২০১৭ ইং/দুপুর১:৩৫