১৫ই নভেম্বর, ২০১৮ ইং | ১লা অগ্রহায়ণ, ১৪২৫ বঙ্গাব্দ | বিকাল ৩:০৫

বৈসাবি’র ২য় দিনে আদিবাসীদের ঘরে ঘরে পাচঁনের আয়োজন

খাগড়াছড়ি থেকে চাইথোয়াই মারমা: খাগড়াছড়ি-রাংগামাটি-বান্দবোন পার্বত্য জেলায় বৈসাবীর ২য়-৩য় দিনে আদিবাসীদের ঘরে ঘরে পাচঁনের আয়োজন ছিল আপ্যায়নতা। বৈসাবী উপলক্ষে খাগড়াছড়িতে ১২এপ্রিল গঙ্গাদেবীর উদ্দেশ্যে শ্রদ্ধা নিবেদন করে চেংগী নদীতে ফুল ভাসানোর পর বুধবার ১৩এপ্রিল উৎসবের ২য় দিন পাহাড়ীদের ঘরে ঘরে চলছে আদিবাসীদের বিশেষ খাবার কমপক্ষে ৩৭টি তরতরকারী আইটেমে মিশ্রিত পাচঁন রান্নার আয়োজন। বৈসাবীর ২য়-৩য় দিনে আদিবাসীরা অতিথিদের পাচঁন ও মিষ্টি দিয়ে আপ্যায়ন করছে।

পাচঁন হচ্ছে এমন একটি খাবার যা সর্বোচ্চ প্রায় ৫০টি বিভিন্ন ফল ও সব্জী দিয়ে তৈরী করা হয়। পাচঁন তৈরীতে সর্বনিু ২০-২৫ রকমের ফল ও সব্জী দিতে হয় বলে জানান আদিবাসীরা। তাদের ধারনা বছরের শেষ বা প্রথম দিনে এ পাচঁন খাবার খেলে বিভিন্ন প্রকারের রোগ বালাই থেকে মুক্তি পাওয়া যায়। ইতিমধ্যে খাগড়াছড়ি-রাঙ্গামাটি-বান্দরবান-কক্্রবাবাজার আদিবাসীদেও প্রতিটি ঘরে তাদের ঐতিহ্যবাহী এ খাবার খেতে পাহাড়ী-বাঙ্গালী সকলেই মিলেমিশে বেড়াতে শুরু করেছে।

১৩এপ্রিল উৎসবের দ্বিতীয় দিন ঘরে ঘরে রান্না হয় ঐতিহ্যবাহী খাবার পাচন। তা দিয়ে দিন ভর চলে অতিথি আপ্যায়ন। একে বলে মুল বিজু। উৎসবের তৃতীয় দিনে চাকমা, ত্রিপুরারা গোজ্জাই পোজ্জা পালন করলেও ঐদিন মারমা স¤প্রদায় উদযাপন করে ঐতিহ্যবাহী পানি খেলা উৎসব।

১৫এপ্রিল মারমাদের সাংগ্রাই জল কেলী(পানি খেলা)র মাধ্যমে শেষ হবে বৈসাবি উৎসব। ১৪এপ্রিল অন্যান্য আয়োজনের মধ্য দিয়ে পার্বত্য চট্টগ্রামে বসবাসরত ১৩টি ক্ষুদ্র-নৃ-তাত্বিক আদিবাসী জনগোষ্ঠীর বৃহত্তর ধর্মীয় উৎসব বৈসাবী অনুষ্ঠানের শেষ হলেও এই কর্মসূচী থাকবে মাসব্যাপী।

কুইক নিউজ বিডি.কম/এএম/১৫.০৪.২০১৬/১৮:০৭