২১শে নভেম্বর, ২০১৮ ইং | ৭ই অগ্রহায়ণ, ১৪২৫ বঙ্গাব্দ | সন্ধ্যা ৬:০৩

পুনরায় ভোট গণনাঃ নৌকা বিজয় উচ্চ আদালতে যাবেন ধানের শীষ

বিশেষ প্রতিবেদক : ২০১৬ সালের ৪ জুন শরীয়তপুরের ভেদরগঞ্জ উপজেলার দক্ষিন তারাবুনিয়া ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। ভোট গণনা শেষে নৌকা প্রতিকের প্রার্থী শাহজালাল মালকে ৪ ভোটে পরাজিত দেখানো হয়।


পরাজিত প্রার্থী শাহজালাল মাল শরীয়তপুর নির্বাচনী ট্রাইব্যুনালে পুনরায় ভোট গণনা চেয়ে মামলা দায়ের করে। দীর্ঘ শুনানী শেষে (৩১ মে বুধবার) আদালতের নিদের্শে ভোট পুনরায় গননা করা হয়। পুনরায় ভোট গননায় পরাজিত প্রার্থী শাহজালাল ৫১ ভোট বেশী পেয়ে বিজয়ী হয়েছে।


জানা যায়, শরীয়তপুর সদর নির্বাচনী ট্রাইব্যুনালের বিচারক আখম ইলিয়াস পুনরায় ভোট গননা শেষে ৫১ ভোটের ব্যবধানে নৌকা প্রতিকের পরাজিত প্রার্থী শাহজালাল মালকে বিজয়ী ঘোষনা করেন।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন মামলার বাদী পরাজিত প্রার্থী শাহজালাল মাল, মামলার বিবাদি ধানের শীষের বিজয়ী প্রার্থী নুর উদ্দিন দর্জী, চিকন্দী আইনজীবী সমিতির সভাপতি এডভোকেট তপন কুমার, বাদী পক্ষের আইনজীবী এডভোকেট কামাল হামিদী, বিবাদী পক্ষের আইনজীবী এডভোকেট রুবায়েত আনোয়ার মনি।


নৌকার প্রার্থী শাহজালাল মাল বলেন, তৎকালিন রিটানির্ং অফিসার ও প্রিজাইডিং অফিসারের যোগসাজসে ৪টি কেন্দ্রে ভোট কারচুপি করে আমাকে ৪ ভোটের ব্যবধানে পরাজিত দেখানো হয়।

আমি আদালতে মামলা করি। ৩১ মে বুধবার পুনরায় ভোট গননা হয়। সেখানে আমি ৫১ ভোটের ব্যবধানে বিজয়ী হয়েছি। এই বিজয় ন্যায়ের পক্ষের বিজয়। এ বিজয় দক্ষিন তারাবুনিয়ার সকল জনগনের ও বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের।


বিবাদী পক্ষে ধানের শীষের প্রার্থী দক্ষিন তারাবুনিয়ার ইউপি চেয়ারম্যান নুর উদ্দিন দর্জী বলেন, আমাকে ও আমার আইনজীবীকে কোন প্রকার নোটিশ না করে চিকন্দী আদালতে নথী নিয়ে ভোট গননা করেছে।

আমি সংবাদ পেয়ে আদালতে যাই। দেখি ৩ কেন্দ্রের ভোট গননা শেষ সর্বশেষ কেন্দ্রের ভোট গননা চলছে। আমাকে স্বাক্ষর করতে বলা হয় আমি কোন স্বাক্ষর করিনি।

আমি আইনের মাধ্যমে উচ্চ আদালতে যাবো। তাছাড়া ১ ও ৮ নম্বর কেন্দ্রের ভোট যে প্যাকেটে থাকার কথা সে প্যাকেটে ছিল না। বিচারক তা নোট করেছে

কিউএনবি/রিয়াদ/৩১শে মে, ২০১৭ ইং/ রাত ৯:১৮